• সোমবার, আগস্ট ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৮ রাত

আম ছাড়াই আমের জুস, কারখানা সিলগালা

  • প্রকাশিত ১২:০০ দুপুর মে ১৩, ২০১৯
নকল আমের জুস
১৫ প্রকার ক্যামিকেলের সমন্বয়ে আম ছাড়াই এই নকল জুস তৈরি করা হচ্ছিল। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

১৫ ধরণের কেমিক্যালের সমন্বয়ে আম ছাড়াই এই নকল জুস তৈরি করছিল প্রতিষ্ঠানটি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শিমরাইল উত্তরপাড়ায় নকল 'আমের জুস' তৈরী কারখানায় র‌্যাব-১১ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন যৌথ অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার বিকেলে সাদিয়া ফুড এন্ড বেভারেজ কেমিক্যাল ইন্ড্রাষ্ট্রিজে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রতিষ্ঠানটিতে ‘জুস’   তৈরিতে কোনো ফল বা ফলের নির্যাস ব্যবহার করা হত না। এছাড়াও পরীক্ষাগার ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব পণ্য উৎপাদন করা হতো। এসব অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজারসহ কর্মরত চারজনকে ৭দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার  নাজমুল আলম (৩৫),ক্যামিস্ট রাজন হোসেন শিকদার (২২), মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৭) এবং এনায়েত হোসেন (৩৪)। এ সময় ২০ লাখ টাকার নকল জুস জব্দ এবং প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযান শেষে রবিবার রাতে র‌্যাব-১১’র সিপিএসসি’র কোম্পানী কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব ঢাকা ট্রিবিউনকে অভিযান প্রসঙ্গে বলেন, "বেশি লাভের আশায় প্রতিষ্ঠানটি এই নকল জুস উৎপাদন করে বাজারে ছাড়ছিলো। ১ লিটার জুস তৈরি করতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যয় হচ্ছে ২৫ টাকার মতো। এই জুস ডিলার কিনে নিচ্ছে ৪০ টাকা দিয়ে। ডিলার আবার খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে ৬০টাকা এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা এই জুস বিক্রি করছে ৮০টাকা"। 

"১৫ ধরণের কেমিক্যালের সমন্বয়ে আম ছাড়াই এই নকল জুস তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে সব থেকে ক্ষতিকারক ক্যামিকেল হচ্ছে সোডিয়াম বেনজয়েড যা মানবদেহের যকৃতকে একটা সময় বিকল করে দেয়। পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটি এসব নকল জুস প্রতিনিয়ত বাজারে সরবরাহ করে আসছিল", যোগ করেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোঃ আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা করা হবে এবং তাকে আটকের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তালুকদার নাজমুছ সাকিব।