• বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৩ রাত

কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় মামীকে হত্যা, তারপর আত্মহত্যা!

  • প্রকাশিত ০৫:৪৪ সন্ধ্যা মে ১৪, ২০১৯
লাশ
প্রতীকী ছবি

অবিবাহিত আপেল মামী আলেয়া বেগমের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় আলেয়া বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে তার ভাগ্নে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে আপেল মিয়া (২২) নামের ওই ব্যক্তি নিজেই আত্মহত্যা করেন বলে জানা গেছে। 

আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ভাগকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ মামী ও ভাগ্নের লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। 

উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, ভাগকোলা গ্রামের দিনমজুর শাহিদুল ইসলামের দুই স্ত্রী। বড় স্ত্রীর নাম রুবিয়া খাতুন ও ছোট স্ত্রীর নাম আলেয়া বেগম। পেশায় কাঠমিস্ত্রি আপেল মিয়া পার্শ্ববর্তী টেপাগাড়ি গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে। তিনি মামা শাহিদুল ইসলামের বাড়িতে থাকতেন। 

অবিবাহিত আপেল মামী আলেয়া বেগমের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। বিষয়টি সেসময় বৈঠক ডেকে মিমাংসা করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আপেল অনৈতিক সম্পর্ক করতে চাইলে আলেয়া বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আপেল কাঠ কাটার বাটাল দিয়ে তার ঘাড়ে কয়েকটি আঘাত করেন। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। বিষয়টি প্রতিবেশিরা টের পেয়ে আপেল ওই বাটাল হাতে পালিয়ে যান। পরে তিনি ভাগকোলা ক্লিনিকের কাছে পৌঁছে পেটে বাটাল ঢুকিয়ে আত্মহত্যা করেন। 

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে আপেল বাটালের আঘাতে আলেয়া বেগমকে হত্যা করেছেন। এরপর তিনি আত্মহত্যা করেন।