• রবিবার, জুলাই ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩৭ বিকেল

পণ্যে ভেজাল: সাত প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল, ১৮টির স্থগিত

  • প্রকাশিত ০৮:১৬ রাত মে ১৫, ২০১৯
ভেজাল পণ্য
ঢাকা ট্রিবিউন

মনোন্নয়ন করে আবার লাইসেন্স গ্রহণের আগে এসব পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ এমনকি খুচরা বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিম্নমাণ ও ভেজাল হিসেবে চিহ্নিত ৫২টি খাদ্যপণ্যের মধ্যে সাতটির উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল ও ১৮টির লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)।

বুধবার (১৫ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিএসটিআই।

লাইসেন্স বাতিল হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আল সাফি ড্রিংকিং ওয়াটার, নারজান ড্রিংকিং ওয়াটার, মর্ন ডিউ পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার, আর আর ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার, শান্তা ফুড প্রোডাক্টসের টেস্টি, তানি ও তাসকিয়া, জাহাঙ্গীর ফুড প্রোডাক্টসের প্রিয়া ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংক পাউডার এবং বনলতা সুইটস অ্যান্ড বেকারীর বনলতা ব্র্যান্ডের ঘি।

লাইসেন্স স্থগিত হওয়া পণ্যগুলো হচ্ছে- সিটি অয়েল মিল-গাজীপুর (তীর), গ্রিন ব্লিসিং ভেজিটেবল অয়েল-নারায়ণগঞ্জ (জিবি), শবনম ভেজিটেবল অয়েল-নারায়ণগঞ্জ (পুষ্টি), বাংলাদেশ এডিবল অয়েল-নারায়ণগঞ্জ (রূপচাঁদা); আররা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ (আররা), ডানকান প্রোডাক্ট (ডানকান), দিঘী ড্রিংকিং ওয়াটার (দিঘী); প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের প্রাণ ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই; ড্যানিশ, প্রাণ ও ফ্রেশ এর হলুদের গুড়া; প্রাণ ও ড্যানিশের কারী পাউডার; এসিআই ও মোল্লা সল্টের আয়োডিনযুক্ত লবণ; এসিআই পিওর ধনিয়া গুড়া, নিউজিল্যান্ড ডেইরির ডুডলস নুডলস এবং কাশেম ফুডের সান চিপস।

মনোন্নয়ন করে আবার লাইসেন্স গ্রহণের আগে এসব পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ এমনকি খুচরা বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি এর সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিক প্রচার বন্ধ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোজা শুরুর আগে বাজারে গোপন অভিযান চালিয়ে ৪০৬টি পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। এসব পণ্যের মধ্যে ৫২টি পণ্য নিম্নমানের হিসাবে চিহ্নিত হয় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায়। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট বিপণন কোম্পানিগুলোকে এ নিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

নোটিশের উত্তর দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার পরও উত্তর না আসায় ওই সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসটিআই-এর একটি সূত্র।