• রবিবার, জুলাই ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৮ রাত

ক্ষতিপূরণের বাকি টাকা দিতে গ্রিন লাইনকে ২২ মে পর্যন্ত সময়

  • প্রকাশিত ০৮:১৯ রাত মে ১৫, ২০১৯
গ্রিনলাইন
ছবি: সংগৃহীত

১০ এপ্রিল রাসেলকে পাঁচ লাখ টাকার চেক দেয় গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ। সেই সাথে বাকি ৪৫ লাখ টাকা দিতে তাদের এক মাস সময় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বাসচাপায় পা হারানো প্রাইভেট কারের চালক রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণের বাকি ৪৫ লাখ টাকা (বা অন্তত আংশিক) দিতে গ্রিন লাইন পরিবহনকে ২২ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

গ্রিন লাইনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (১৭ মে) বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খোন্দকার শামসুল হক রেজা ও আইনজীবী উম্মে কুলসুম স্মৃতি। গ্রিন লাইনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অজি উল্লাহ।

১০ এপ্রিল রাসেলকে পাঁচ লাখ টাকার চেক দেয় গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ। সেই সাথে বাকি ৪৫ লাখ টাকা দিতে তাদের এক মাস সময় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

বুধবার গ্রিন লাইনের পক্ষে আবার সময় আবেদন করা হয়। এ সময় আদালত প্রতিষ্ঠানটির আইনজীবী অজি উল্লাহকে উদ্দেশ করে বলে, ‘টাকা দিয়েছেন?’ জবাবে অজি উল্লাহ বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য খরচ দিচ্ছি।’ তখন আদালত বলেন, ‘বাকি টাকা (৪৫ লাখ) দিয়েছেন? কথা ছিল এক মাসের মধ্যে বাকি টাকা দেবেন। টাকা তো দেননি। আর চিকিৎসার খরচ নিয়ে তো আলাদা নির্দেশনা ছিল। সব চিকিৎসা খরচ দেবেন। টাকা দেননি কেন?’

জবাবে অজি উল্লাহ বলেন, ‘সময় চেয়েছি।’ এ সময় আদালত বলে, ‘একবার চাইলেন, সময় তো দিলাম। চার আনা পয়সাও পরিশোধ না করে সময় চাইলেন। আপনাদের (গ্রিন লাইন) কি ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে? আমরা কি রিসিভার নিয়োগ দিয়ে দেব? একেবারে খালি হাতে চলে আসলেন। এটা কি করে হয়! সামনে আদালতের অবকাশ আছে। তার আগে আদেশ পালন করেন। ২২ মে তারিখ রাখলাম। চিকিৎসার খরচ তো দেবেনই। যদি (ক্ষতিপূরণের) আংশিকও হয়, তাও দেন।’

আদেশের পর রিট আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবী শামসুল হক বলেন, আদালত ক্ষতিপূরণের বাকি টাকার পুরোটা দেয়ার আদেশ দিয়েছে। তবে আংশিক দিলেও তারা সেটা বিবেচনায় নেবে।  

গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার পাশাপাশি তার চিকিৎসার খরচ দিতে গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়। এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গিয়ে ৩১ মার্চ বিফল হয় গ্রিন লাইন।