• বৃহস্পতিবার, মে ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫৮ রাত

বাবার পর ছেলের লাশ ফিরিয়ে আনা নিয়েও সংশয়

  • প্রকাশিত ০৫:২৪ সন্ধ্যা মে ১৬, ২০১৯
নৌকাডুবি
অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা। ছবি: রয়টার্স

তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবিতে নিহত নাসিরের সৌদি প্রবাসী বাবার লাশও অর্থাভাবে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারেনি তার পরিবার

নাসিরের সৌদি প্রবাসী বাবার মৃত্যুর পর অর্থাভাবে তার লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। এর ১৪ বছর পর গত ১১ মে সমুদ্রপথে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে নিহত নাসিরের লাশ আনা নিয়েও সংশয়ে রয়েছে তার পরিবার।

নৌকাডুবিতে নিহত নাসির উদ্দিনের (২৩) বাড়ি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ৫ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাকড়া পাড়া গ্রামে। 

নিহতের ভাই ছোট মো. নাজিম উদ্দিন জানান, ২০১৮ সালের মার্চ মাসে ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়া পাড়ি জমান নাসির। সেখান থেকে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে দালাল আবুল কালামের মাধ্যমে সমুদ্রপথে ইতালির উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে ভূমধ্যসাগরের তিউনিসিয়া উপকূলে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাডুবিতে নাসিরসহ আরও অনেকের মৃত্যু হয়। নাসিরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন ওই নৌকায় নাসিরের সহযাত্রী রুবেল।

এদিকে, নাসিরের গ্রামের বাড়িতে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তার পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৪ বছর আগে নাসিরের পিতা অহিদ উল্লাহ সৌদি আরবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অর্থের অভাবে তার লাশ দেশে ফিরিয়ে পারেনি তার পরিবার। তাকে সৌদি আরবেই দাফন করা হয়। নাসিরের বেলায়ও অর্থের অভাবে তার মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে তার পরিবার। শেষবারের মতো দেখার জন্য তার লাশ ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছে তার পরিবারের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, গত ১১ মে সমুদ্রপথে অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে ইতালির যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির এই ঘটনায় ৩৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।