• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৭ রাত

আইনমন্ত্রী: বিচারাধীন মামলার রিপোর্টিংয়ে বাধা নেই

  • প্রকাশিত ০৫:৩৬ সন্ধ্যা মে ১৯, ২০১৯
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফাইল ছবি।

কিন্তু বিচারাধীন যে মামলা, যার কার্যক্রম চলছে না সেই মামলার বিষয়ে কোনো মতামত দেয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছেন বলেই আমার মনে হচ্ছে

বিচারাধীন মামলার সংবাদ প্রকাশে বাধা নেই, তবে মামলা আছে কিন্তু কার্যক্রম স্থগিত- এমন মামলার বিষয়ে রিপোর্টিং বা মতামত দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। 

রবিবার (১৯ মে)সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, "মামলা চলছে, সেই মামলার রিপোর্টিং করতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু বিচারাধীন যে মামলা, যার কার্যক্রম চলছে না সেই মামলার বিষয়ে কোনো মতামত দেয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছেন বলেই আমার মনে হচ্ছে"।

"সাব-জুডিস কথাটার একটা অর্থ আছে। সাব-জুডিস হচ্ছে এমন মামলা যে মামলা বিচারাধীন কিন্তু সেটির বিচার কার্যক্রম চলছে না। মামলা যেটা বিচারাধীন আছে, কিন্তু বিচার কার্যক্রম চলছে না এমন মামলার ব্যাপারে মতামত না দেওয়ার বিষয়টিই বলেছেন সুপ্রিম কোর্ট। তারা বলেছেন, এই ব্যাপারে মতামত না দিতে", যোগ করেন তিনি।

এসময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, "একটা মামলা চলছে, সেটার ব্যাপারে রিপোর্টিং বন্ধ করতে হবে, আমার মনে হয় না সুপ্রিম কোর্ট এই কথা বলেছেন। আপনারা মামলার রিপোর্ট করতে পারেন। তবে যে মামলাটা বিচারাধীন, সেই মামলাটা নিয়ে যদি আপনারা মতামত দেন, তাহলে মিডিয়াতেই একটা ট্রায়াল হয়ে যাবে। বিজ্ঞ বিচারক বা বিচারপতির ওপর এ ব্যাপারে একটু চাপ সৃষ্টি হয়। সেজন্য তারা এই কথাটা বলেছেন"।

তিনি বলেন, "আমি বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার করে দিতে চাই। রিপোর্টিং আর মতামত আলাদা করতে হবে। আলাদাভাবে দেখতে হবে। ওনারা (সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি) আমাদের ডিরেক্টলি বলেননি। আমি উনাদের কথা থেকে এটা বুঝেছি, যোগ করেন আইনমন্ত্রী"।

তিনি বলেন, "আপনারা যদি এটার ব্যাপারে আপিল বিভাগের সুস্পষ্ট মতামত চান, আপিল বিভাগকে জিজ্ঞাসা করুন। আমার মনে হয় আমি যা বললাম উনারা তাই বলবেন। কারণ যে কথা আমার কানে এসেছে সেই কথায় আমি এইটুকুই বুঝেছি"।

এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূত, জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধি, জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি এবং ইউএনডিপির প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী।