• বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২২ রাত

বাণিজ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে 'মানহানিকর' খবরের অভিযোগ, এসএটিভির সিইও'র বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • প্রকাশিত ০৯:৩৪ রাত মে ২০, ২০১৯
আদালত
প্রতীকী ছবি

মামলার বাকি তিন আসামি হলেন-এসএ টিভির চিফ রিপোর্টার বাদশা, স্টাফ রিপোর্টার সোহেল ও ফেসবুক আইডির অ্যাকাউন্ট হোল্ডার সালাহ উদ্দিন তালুকদার ।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির বিরুদ্ধে মানহানিকর খবর পরিবেশনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এসএ টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সালাহউদ্দিন জাকিসহ চার জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

আজ সোমবার রংপুরের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফা ইয়াসমিন মুক্তা এ আদেশ দেন। 

মামলার বাকি তিন আসামি হলেন-এসএ টিভির চিফ রিপোর্টার বাদশা, স্টাফ রিপোর্টার সোহেল ও ফেসবুক আইডির অ্যাকাউন্ট হোল্ডার সালাহ উদ্দিন তালুকদার ।

মামলার বাদি হারুনুর রশীদের আইনজীবী ফিরোজ কবীর চৌধুরী গুঞ্জন মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফিরোজ কবীর চৌধুরী জানান, মামলার পরবর্তী তারিখ ২২ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে। আসামিদের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে মামলাটির পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করা হয়েছে ২২ জুলাই।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, যুবলীগ কর্মী ও রংপুর নগরীর মনোহর চওড়াপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে হারুনুর রশীদ বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আসামিরা মন্ত্রিপরিষদের সম্মানিত সদস্যদের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য রাষ্ট্রবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এসএটিভিতে জনৈক জহির মিয়াকে প্ররোচিত করে তার একটি উদ্দেশ্যমূলক ও মনগড়া সাক্ষাৎকার ধারণ করে তা সালাহ উদ্দিন তালুকদারের ফেসবুক পেজে প্রচার করেন। 

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, ওই সাক্ষাৎকারটি স্টাফ রিপোর্টার সোহেল এসএটিভির ক্যামেরায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে ধারণ করেন। আসামি এসএটিভির স্টাফ রিপোর্টারের ফেসবুক পেজে দেওয়া ভিডিওতে তার উপস্থাপনা ও বর্ণনায় মানহানিকর মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে প্রচার করেন। সেখানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির নাম উল্লেখ করে ৪০ বিঘা সম্পত্তি যা মন্ত্রী জবর দখল করে ভোগ করছেন বলে উল্লেখ করা ছাড়াও আরও বেশ কিছু আপত্তিকর মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করেছে। ফেসবুকে আপলোড করা ওই ভিডিও ৭ লাখ ৬৫ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং ১৭ হাজারের বেশি শেয়ার করা হয়েছে। এমন মিথ্যা মানহানিকর খবর প্রকাশের মাধ্যমে বাণিজ্যমন্ত্রীকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপুরণ চেয়ে মানহানির মামলা দায়ের করেন।