• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০০ রাত

পাঠাও চালাতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র খুন, মোটর সাইকেল ছিনতাই

  • প্রকাশিত ০৫:০৬ সন্ধ্যা মে ২৩, ২০১৯
খুন
নিহত ইসমাইল হোসেন জিসান। ছবি: সংগৃহীত

ওই দিন সকালে জিসানের পাঠাও মোটরসাইকেল ভাড়া করে গাজীপুরের গাছা থানা এলাকায় যান এক যাত্রী। এর পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইসমাইল হোসেন জিসানের (২৪) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই ছাত্র এর আগে ১২দিন নিখোঁজ ছিলেন। 

২৩ মে, বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের গাছা ইউনিয়নের কামারজুরি এলাকার মধ্যপাড়ার একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিবুল ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

নিহত ইসমাইল রাজধানীর শ্যামলীর ২নম্বর রোডে বন্ধুর সঙ্গে ভাড়া থাকতেন। তিনি গাজীপুর জেলার গাছা থানার কাথোরা গ্রামের সাব্বির হোসেন শহীদের ছেলে। ইসমাইল একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল বিভাগের ছাত্র ছিলেন। পড়াশোনার ফাঁকে ইসমাইল রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পাঠাওয়ের মোটরসাইকেল চালাতেন।

শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসেন জানান, গত ১২ মে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থেকে নিখোঁজ হয় ইউনিভার্সিটির ছাত্র ইসমাইল হোসেন জিসান। তিনি পাঠাওয়ের মোটসাইকেলচালক ছিলেন। ওই দিন সকালে জিসানের পাঠাও মোটরসাইকেল ভাড়া করে গাজীপুরের গাছা থানা এলাকায় যান এক যাত্রী। এর পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ইসমাইলের সন্ধান না পেয়ে রাতে গাছা থানায় একটি জিডি করেন তার বাবা সাব্বির হোসেন। এর একদিন পর ছেলের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় শেরেবাংলা থানায়ও জিডি করেন তিনি। এর পরই অভিযানে নামে পুলিশ।

ঘাতকরা গাজীপুর মেট্রোপলিটনের গাছা থানাধীন কামারজুরি এলাকায় অবস্থা করছেন এমন তথ্য পেয়ে সেখানে বুধবার রাতে অভিযান চালায় গাছা ও শেরেবাংলা নগর থানাপুলিশ। অভিযানে ওই এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে হাসিবুর নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

হাসিবুর কামারজুরি বাজার এলাকায় খাবার হোটেলের ব্যবসা করেন এবং ওই এলাকার জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকেন।

এ সময় সেখান থেকে জিসানের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হাসিবুর জিসানকে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং তার মৃতদেহ তার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলা হয়েছে বলে জানান।


শেরেবাংলা নগর থানা ওসি (অপারেশন) আহাদ আলী বলেন, “বৃহস্পতিবার ওই বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে জিসানের লাশ উদ্ধার করা হয়। আটক হাসিবুরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় অনেকে জড়িত থাকতে পারে এবং আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।”