• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫১ সন্ধ্যা

ভোররাতে রামেক ছাত্রীনিবাসে বহিরাগত!

  • প্রকাশিত ০১:৪৩ দুপুর মে ২৬, ২০১৯
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের পলিন ছাত্রীনিবাস। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

এরইমধ্যে নিরাপত্তাকর্মীর দায়িত্বে অবহেলার সুযোগে এক লোক ছাত্রীনিবাসের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে ঢুকে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েরা চিৎকার শুরু করেন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক) পলিন ছাত্রীনিবাসে এক বহিরাগত পুরুষ প্রবেশ করার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে হোস্টেলের ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

১৫ মে, শনিবার  ভোর রাতে সেহেরির পর এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় হোস্টেলে প্রবেশকারীর নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা মিঞাপাড়া এলাকার আবদুল হামিদ (৬০ ) নামের এক ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। 

শিক্ষার্থীরা জানান,সেহেরি খাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা ঘুমিয়ে পড়েন। এরইমধ্যে নিরাপত্তাকর্মীর দায়িত্বে অবহেলার সুযোগে এক লোক ছাত্রীনিবাসের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে ঢুকে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েরা চিৎকার শুরু করেন। এক পর্যায়ে মেয়েরা তাদের কক্ষ থেকে বেরিয়ে লোকটিকে সেই কক্ষের ভেতরে আটকে দেন। পরে ব্লকের অন্য মেয়েরা গিয়ে লোকটিকে ধরে ফেলেন। এমনকি নিচের কলাপসিবল গেটও বন্ধ করে দেন। পরে ছাত্রীনিবাসের তত্ত্বাবধায়ককে খবর দেওয়া হলে তিনি বিষয়টি পুলিশকে জানান। নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ছাত্রীরা। নিরাপত্তাকর্মীর অবহেলার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে। 

নিরাপত্তাকর্মী হাসিবুল হাসানের দাবি, “আমি যখন বাথরুমে ছিলাম। তখন সে সুযোগেই লোকটি হোস্টেলের ভিতরে প্রবেশ করে। ” 

এ ব্যাপারে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নওশাদ আলী বলেন, “এ ঘটনার পর পলিন ছাত্রীনিবাসের ছাত্রীরা এসেছিলেন। তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রীনিবাস পরিচালনা কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে।”

রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, “যে লোকটি ছাত্রীনিবাসে প্রবেশ করেছিলেন। সে আসলে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। তার পরিবারের লোকজন তাকে তিন দিন ধরে খুঁজছিলেন। তারা মানসিক হাসপাতালে ভর্তির কাগজপত্র নিয়ে এসেছিলেন। তাকে তিনবার সেখানে ভর্তি করা হয়েছিল।”

ওসি হাফিজুর রহমান আরও বলেন,“শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কারণ সে মানসিক রোগী। সে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। থানা হাজতের ভিতরে কখনও সে সুস্থ আচারণ করছে। আবার কখনও সে পাগলামির আচারণ করছে। তাকে নিয়ে ভেবেচিন্তা কাজ করতে হবে।”