• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

ঈদে সারাদেশের নিরাপত্তায় থাকবে লক্ষাধিক পুলিশ

  • প্রকাশিত ০৭:৩৩ রাত জুন ১, ২০১৯
পুলিশ চেকপোস্ট
গুলশান এলাকার একটি পুলিশ চেকপোস্ট। ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন। ফাইল ছবি।

'ঈদে রাজধানীর ৪৯ থানা এলাকায় টহল দিবে টহল পুলিশ দল, বসানো হবে চেকপোস্ট'

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে শনিবার বিকেলে এসব তথ্য জানা যায়।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ঈদে দেশে জননিরাপত্তা নিশ্চিতে রাজধানীতে ১০ হাজারসহ সারাদেশে লক্ষাধিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। বিভিন্ন মসজিদ, ঈদগাহ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও স্থাপনায় থাকবে পুলিশি নজরদারি।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপনের জন্য পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব) ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লক্ষাধিক সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পুলিশ নিয়মিত টহল দিচ্ছে এবং সন্দেহজনক মনে হলে চেকপোস্টে তল্লাশী চলছে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান জানান, "রাজধানী ঢাকাতেই তিন স্তরের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত করা হয়েছে ১০ হাজারের বেশী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য"।

ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, "ঈদে ঢাকা শহর ফাঁকা হয়ে যাবে। এই ফাঁকা ঢাকা শহরে পুলিশের পাহারা থাকবে, বাসা-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড থাকবে আমরাও থাকবো। সবাই মিলে একটা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবো। থাকবে নিরাপত্তা তল্লাশি ও রাস্তায় ব্যারিকেড ব্যবস্থা"।

"নাগরিকদের নিরাপত্তায় রাজধানী ঢাকার বিভিন্নস্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করা হচ্ছে। ঈদে রাজধানীর ৪৯ থানা এলাকায় টহল দেবে টহল পুলিশ দল", যোগ করেন ডিএমপি কমিশনার।

এদিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপনের জন্য ইতোমধ্যেই পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে সব মেট্রোপলিটন ও রেঞ্জের পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্দেশনা দিয়েছেন।

নির্দেশনায় আইজিপি বলেন, "সাধারণ মানুষের ঈদের কেনাকাটা নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে মার্কেট ও শপিংমলে ভোররাত পর্যন্ত পোশাকে ও সাদা পোশাকে বিশেষ নিরাপত্তা দিতে হবে"।

তিনি আরও বলেন, "জনগণের নিরাপত্তার জন্য মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহে সিসিটিভি স্থাপন করতে হবে। এছাড়া ট্রাক, পিকআপ এবং পণ্যবাহী ট্রাকে যাত্রী পরিবহন রোধ এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া মহাসড়কে কোন যানবাহন থামানো যাবে না"।

"টার্মিনাল হতে বাস ছাড়ার আগেই চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, অন্যান্য কাগজপত্র ও ফিটনেস পরীক্ষা করতে হবে", যোগ করেন জাবেদ পাটোয়ারী।

এছাড়াও ঈদের ছুটিতে আবাসিক এলাকা, ব্যাংক ও অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান, স্বর্ণেও দোকান ইত্যাদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে পুলিশ। অন্যদিকে ঈদের সময় বিভিন্ন বিদেশী কূটনৈতিক মিশন ও স্থাপনা এবং বিদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তা বাড়ানো হবে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।