• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২১ রাত

কাদের: বাস মালিকদের লালসার সীমা বহুদূর চলে গেছে

  • প্রকাশিত ০৩:১৭ বিকেল জুন ৩, ২০১৯
ওবায়দুল কাদের
মহাখালী বাস টার্মিনালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

বাস মালিকরা আমাকে বোঝাতে চেয়েছেন, যাওয়ার সময় যাত্রী থাকলেও আসার সময় তাদের খালি আসতে হয়। আমি তাদের বলেছি, সারাবছরই তো ব্যবসা করেছেন, ঈদের সময় মুনাফার ক্ষেত্রে একটু সংযমী হন। বাস মালিকরা লোভী।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “চিকিৎসকের বারণের পরও আমি টার্মিনালগুলো পরিদর্শন করেছি, যাতে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া না হয়। বাস মালিকরা আমাকে বোঝাতে চেয়েছেন, যাওয়ার সময় যাত্রী থাকলেও আসার সময় তাদের খালি আসতে হয়। আমি তাদের বলেছি, সারাবছরই তো ব্যবসা করেছেন, ঈদের সময় মুনাফার ক্ষেত্রে একটু সংযমী হন। বাস মালিকরা লোভী।”

৩ জুন, সোমবার রাজধানীর সচিবালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে শৃঙ্খলার অভাব। পরিবহন ও সড়ক উভয়ক্ষেত্রেই কোথাও শৃঙ্খলা নেই। এই শৃঙ্খলা ফেরানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এটি ফেরাতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে। টোকিও, সিঙ্গাপুর, কলকাতা শহরের রাস্তাগুলো দেখেছি। এই রাস্তাগুলো আমাদের বাংলাদেশের রাস্তার মতো এত প্রশস্ত নয়, তারপরেও সেখানে কোনও দুর্ঘটনা হয় না। গাড়িতে গাড়িতে ঠোকাঠুকি হয় না।”

সরকারের এত উদ্যোগের পরও বাস মালিকদের সঙ্গে পেরে উঠছে না। এক্ষেত্রে সরকার কি বাস মালিকদের কাছে পরাজিত? সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, “জয়-পরাজয়ের কথা নয়। লোভ-লালসার সীমা বহুদূর চলে গেছে। বাস মালিকদের লোভ-লালসা মানসিক প্রবণতায় পরিণত হয়েছে। এটি নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করছি।”

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “ঢাকার রাস্তায় চলাচলকারী হিমাচল পরিবহন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে। বহুদিন ধরে এই অভিযোগ শুনছি। বিআরটিএকে বলেছি, হিমাচল পরিবহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “সমাজে ভোগান্তি সৃষ্টি করি আমরা। জটিলতা হয় আমাদেরই কারণে। আর তা ফেস করে জনগণ। অথচ জনগণ কোনও ঝামেলাই সৃষ্টি করে না। রাজনীতিতে সৎ মানুষের খুবই অভাব। যদি তা না হতো, তাহলে দেশ এতদিনে সোনার বাংলাদেশ হতো।”