• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০০ বিকেল

গাছে বেঁধে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে নির্যাতন: নকলা থানার এসআই প্রত্যাহার

  • প্রকাশিত ০৮:৪৬ রাত জুন ১৪, ২০১৯
নির্যাতন
গাছের সঙ্গে হা-পা বেঁধে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে নির্যাতন করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

তবে এসআই ওমরের পাশাপাশি নকলা থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজকেও প্রত্যাহারের গুঞ্জন শোনা গেলেও তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।

শেরপুরের নকলায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার দায়ে নকলা থানার এসআই ওমর ফারুককে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ১৪ জুন, শুক্রবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে এসআই ওমরের পাশাপাশি নকলা থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজকেও প্রত্যাহারের গুঞ্জন শোনা গেলেও তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ১০ মে সকালে কায়দা গ্রামের কৃষক শফিউল্লাহর স্ত্রী ও স্থানীয় চন্দ্রকোনা কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ডলি খানমকে প্রতিপক্ষের লোকজন গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন এবং মোবাইলে সেই ভিডিও ধারণ করেন। নির্যাতনে ডলির অকাল গর্ভপাত হয়।

নকলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করলেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার এক মাস পর ১১ জুন নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে ১২ জুন এ ঘটনায় মামলা হয়। মামলায় নাসিমা আক্তার (৪০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে গত ১৪ জুন, বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।