• শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫৫ সকাল

শ্রীমঙ্গলে লাশবাহী গাড়ি আটকে হাইওয়ে ‘পুলিশের চাঁদাবাজি’

  • প্রকাশিত ০৮:৪৯ রাত জুন ১৫, ২০১৯
শ্রীমঙ্গল চাঁদাবাজি
পুলিশের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলে পরিবহন শ্রমিকদের বিক্ষোভ ইউএনবি

এসময় তিনি চালকের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে লাশবাহী গাড়িটিকে আটকে রাখেন।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে লাশবাহী গাড়ী আটকে হাইওয়ে পুলিশের ‘চাঁদাবাজির’ প্রতিবাদে আড়াই ঘণ্টা সডক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে পরিবহন শ্রমিকরা।

শনিবার (১৫ জুন) সকালে শ্রমিকদের বিক্ষোভের পর শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালেক ঘটনাস্থলে এসে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

বিক্ষু্ব্ধ শ্রমিক ও পুলিশ জানায়, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বিলাসের পাড়ে সিলেট থেকে শ্রীমঙ্গলগামী একটি লাশবাহী পিকআপ ভ্যানকে কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য থামান হাইওয়ে পুলিশের সাতগাঁও ফাড়ির ইনচার্জ নান্নু মণ্ডল। এসময় তিনি চালকের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে লাশবাহী গাড়িটিকে আটকে রাখেন।

এর প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলের মতিগঞ্জ এলাকায় শ্রমিকরা সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে ঢাকা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালেক ঘটনাস্থলে এসে এর সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন।

ওসি আব্দুস ছালেক জানান, শ্রমিকদের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ওই হাইওয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।

এ বিষয়ে ট্রাক ও ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়ন শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহাজান মিয়া বলেন, হাইওয়ে পুলিশের সাতগাঁও ফাড়ির ইনচার্জ নান্নু মণ্ডলের নৈরাজ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। উনি যা করেছেন তা অমানবিক। আমরা এর তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার চাই।

এই রুটে চলাচলকারী একাধিক গাড়ির চালক হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তা নান্নু মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আনেন। চালাক পারভেজ মিয়া বলেন, প্রতিনিয়ত নান্নু মণ্ডলের চাঁদাবাজির কারণে শ্রমিকরা অতিষ্ঠ। তিনি এই রোডের প্রত্যেকটি গাড়িকে বিভিন্ন জায়গায় আটকে চাঁদাবাজি করেন। চাঁদা না দিলে চালকদের মারধরও করেন বলে অভিযোগ করেন কোনো কোনো চালক।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নান্নু মন্ডল বলেন, আমাদের হাইওয়ে পুলিশের মূল দায়িত্ব নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা। এই কাজ করতে গিয়ে আমরা যানবাহন আটকে কাগজপত্র যাচাই করি। এ কারণেই তারা আমার উপর এরকম ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছে।