• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

প্রেমিকার মাকে গলাকেটে হত্যা, অতঃপর প্রেমিকাকে ধর্ষণ!

  • প্রকাশিত ০৪:০৫ বিকেল জুন ১৮, ২০১৯
ধর্ষণ
প্রতীকী ছবি

ওসি মোজাফফর হোসেন জানান, নিহতের মেয়ের সঙ্গে আটক সাগরের প্রেমের সর্ম্পক ছিল।

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় মাকে গলাকেটে হত্যার পর অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সামিউল ইসলাম সাগরকে (২২) আটক করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের বাসিন্দা।

নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ওই নারীর স্বামী জানান, তিনি নাটোরের একটি ফার্মে চাকরি করেন। বাড়িতে তার স্ত্রী ও মেয়ে একসঙ্গে থাকতেন। সোমবার গভীর রাতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পান তিনি।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, নিহতের মেয়ের সঙ্গে আটক সাগরের প্রেমের সর্ম্পক ছিল। সম্প্রতি সেই সর্ম্পকে টানাপোড়ন শুরু হয়। ঘটনার রাতে কথিত প্রেমিকাকে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি ছুরি নিয়ে তাদের বাড়িতে যান সাগর। পরে বাড়ির ছাদে উঠে অপেক্ষা করতে থাকেন তিনি।

এসময় সাগর যৌন উত্তেজক পানীয় পান করেন। রাত গভীর হলে ছাদ থেকে নেমে কথিত প্রেমিকার ঘরে যান তিনি। এসময় নিহত ওই নারী ও তার মেয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন।

ওসি আরও জানান, সাগর ও তার কথিত প্রেমিকা কথা বলার সময় ঘরে থাকা তার মা জেগে ওঠেন। তখন সাগর ছুরি দিয়ে তার শরীরের একাধিক আঘাত করেন। এতে তিনি জ্ঞান হারালে তাকে গলা কেটে হত্যা করেন সাগর। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কথিত প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেন তিনি। 

সাগরের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মোজাফফর আরও জানান, হত্যার পর হেঁটে বুড়িদহ খেয়াঘাটের বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পার হওয়ার সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি নদীতে ফেলে দিয়ে তিনি বাড়ি চলে যান।

'নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নওগাঁ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে, বলেন ওসি।