• শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৪ রাত

সাংবাদিক নির্যাতন: জামালপুরের ছাত্রলীগ নেতা রাকিব বহিষ্কার

  • প্রকাশিত ০৫:৪২ সন্ধ্যা জুন ১৯, ২০১৯
জামালপুর ছাত্রলীগ রাকিব
জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হাসান খান ঢাকা ট্রিবিউন

তিনি স্থানীয় সাংবাদিক মোস্তফা মনজুর ওপর সন্ত্রাসী হামলা মামলার পলাতক আসামি।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হাসান খানকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে সংগঠনটি। একইসঙ্গে কেন তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, তা জানাতে ৭ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে জেলা ছাত্রলীগ।

সভাপতি নিহাদুল আলম নিহাদ ও সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ বিন জালাল প্লাবন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ।

স্থানীয় সাংবাদিক মোস্তফা মনজুর ওপর সন্ত্রাসী হামলা মামলার পলাতক আসামি রাকিব হাসান খান।

প্রসঙ্গত, ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে জমির দলিল নিবন্ধনের তথ্য সংগ্রহ করতে গত ২৮ মে দুপুরে জামালপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে গেলে হামলার শিকার হন দৈনিক কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি মোস্তফা মনজু। এ ঘটনায় পৌর কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য হাসানুজ্জামান খান রুনুসহ নয়জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। গত ১২ জুন আট আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক মোস্তফা মনজু’র দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি পৌর কাউন্সিলর ও স্ট্যাম্পভেন্ডার হাসানুজ্জামান খান রুনুসহ নয় আসামি গত ৩০ মে আদালত থেকে জামিন নিয়ে মামলার বাদীসহ জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

যার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ ও ২ জুন মামলার বাদীসহ জেলায় কর্মরত ৪৮ জন সাংবাদিক জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পৃথকভাবে জামালপুর সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। গত ৯ জুন মামলার বাদী তার আইনজীবী মো. শাসছুল হকের মাধ্যমে জামালপুর সদর আমলি আদালতে মামলার সব আসামির জামিন বাতিলের আবেদন জানান।

বাদীর আবেদন মঞ্জুর করে বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোলায়মান কবীর তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ১২ জুন জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হাসান খান ছাড়া বাকি আট আসামি জামালপুর সদর আমলি আদালতে হাজির হয়ে এ আদেশ বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে বাদী পক্ষের আইনজীবীসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী আসামিদের জামিনের আপত্তি জানান।