• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫৬ রাত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ৯৫ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির তথ্য সঠিক না

  • প্রকাশিত ০৫:০৫ সন্ধ্যা জুন ২০, ২০১৯
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি/ঢাকা ট্রিবিউন

মন্ত্রী বলেন, "মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিক্রি বন্ধে আমরা কাজ করছি। উচ্চ আদালতের রায় পেলে আমরা সে মতো দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।"

দেশের ৯৫ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, "দেশের ৯৫ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির তথ্য সঠিক নয়। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটর করে। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা বিষয়টি দেখভাল করতে সচেষ্ট রয়েছি।"

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ দাবি জানান।

এ সময় মন্ত্রী মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি বন্ধে জনগণকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, "মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিক্রি বন্ধে আমরা কাজ করছি। উচ্চ আদালতের রায় পেলে আমরা সে মতো দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।"

এ সময় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুব দাবি করেন, “দেশে এক লাখ ৩০ হাজার লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মেসি রয়েছে। এসব ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার জন্য আলাদা বক্স রয়েছে। সেখানে পরিষ্কারভাবে লেখা থাকে ‘এগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, বিক্রির জন্য নয়’।”

তবে এ সময় ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের আলাদা বক্স থাকার বিষয়ে দেওয়া তথ্যের প্রতিবাদ জানান সাংবাদিকরা। তাদের চ্যালেঞ্জের মুখে মহাপরিচালক বলেন, "আমরা প্রতিনিয়ত এসব বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করছি। গত ৬ মাসে পাঁচ জনকে জেল দিয়েছি, ৩৭০টি মামলা দায়ের হয়েছে ও ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছি।"

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিক্রি বন্ধে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি। ইতোমধ্যে ফার্মেসি কাউন্সিল এবং ওষুধ প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "কোনও ক্রেতার হাতে যদি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ চলে আসে, সে বিষয়টি যেন আমাকে ও ওষুধ প্রশাসনকে অবহিত করে তাহলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেবো।"

উল্লেখ্য, গত ১০ জুন জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, রাজধানীর ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা হয়।