• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:২২ দুপুর

ঝিনাইদহে মুয়াজ্জিন হত্যার নেপথ্যে ‘পরকীয়া’

  • প্রকাশিত ০৫:৩৫ সন্ধ্যা জুন ২০, ২০১৯
গ্রেপ্তার
পুলিশ হেফাজতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ আসামি রাজু। ছবি: ইউএনবি

আসামি রাজুর স্ত্রী জুলিয়া ও মুয়াজ্জিন সোহেল রানার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ

ঝিনাইদহে মুয়াজ্জিন সোহেল রানা হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। স্ত্রী জুলিয়ার সাথে পরকীয়ার কারণে স্বামী রাজু আহম্মেদ সোহেল রানাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ইউএনবির একটি খবরে বলা হয় বুধবার সকালে আসামি রাজুকে সদর উপজেলার বাগুটিয়া গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বলেন, "রাজুর স্ত্রী জুলিয়া ও সোহেল রানার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জুলিয়ার পরিবারের লোকজন জানতে পেরে ৪ মাস আগে তাকে রাজুর সাথে বিয়ে দেয়। কিন্তু বিয়ের পরও জুলিয়া সোহেলের সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছিলেন"।

"বিষয়টি রাজু জানতে পেরে সোমবার রাতে স্ত্রীকে দিয়ে মোবাইল ফোনে সোহেল রানাকে ডেকে আনেন। পরে রাজু ও তার দুজন সহযোগী মিলে পাটক্ষেতে নিয়ে সোহেলকে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে লাশ পাটক্ষেতে ফেলে রেখে যায়", যোগ করেন তিনি।  

এ ঘটনায় নিহতের ভাই রিংকু হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কনক কুমার দাস ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খান অভিযান চালিয়ে সোহেল রানার প্রেমিকা জুলিয়া খাতুনকে আটক করেন। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি ও নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে ও বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।