• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

দাদিকে বেঁধে রেখে মাদ্রাসা ছাত্রীকে গণধর্ষণ

  • প্রকাশিত ০৪:০৭ বিকেল জুন ২২, ২০১৯
গণধর্ষণ
প্রতীকী ছবি।

প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে পুলিশ

মৌলভীবাজারের কাগাবলা ইউনিয়নে অথানগিরি গ্রামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে (১২) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৫ জুন রাতে এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার থানার ওসি মো.আলমগীর হোসেন।

এই ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে দু'জনকে আসামি করে মৌলভীবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন- জাহিদ মিয়া (৩০) ও রাব্বি মিয়া (২৮)। ভুক্তভোগী ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ধর্ষিতার মা জানান, গত ১৫জুন মেয়েকে দাদির কাছে রেখে আত্মিয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। ওইদিন গভীর রাতে দাদির পাশে ঘুমিয়েছিল ওই কিশোরী। এ সময় অভিযুক্ত জাহিদ মিয়া ও রাব্বি মিয়া টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে। ঘরে ঢুকে ওই কিশোরী ও তার দাদিকে বেঁধে ফেলে তারা।পরে তারা ঘর থেকে বের করে উঠানে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

এসময় ওই কিশোরীর মুখ বেঁধে রাখে তারা। এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ওই কিশোরী। ভোরবেলা জ্ঞান ফেরার পর দাদির বাঁধন খুলে মাকে ফোন করে জানায় সে। বর্তমানে ভুক্তভোগী ওই মাদ্রাসা ছাত্রী মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।      

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো.ইমরান হোসেন এ প্রসঙ্গে ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। 

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসামি রাব্বীর চাচা খুরশেদ মিয়া ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন। এছাড়া ধর্ষিতা মেয়ের পরিবারকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকিও দেয়া হচ্ছে।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন শুক্রবার রাতে বলেন, "থানায় মামলা হয়েছে। আমরা আসামীকে ধরতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি"।