• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৪ সকাল

মৌলভীবাজারে ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন

  • প্রকাশিত ১১:১৬ সকাল জুন ২৪, ২০১৯
বগি লাইনচ্যুত
বড়ছড়া খালে লাইনচ্যুত উপবন এক্সপ্রেসের বগি। ছবি: অস্মিত অভি

কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

রবিবার রাতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ব্রীজ ভেঙে ট্রেন খাদে পড়ে অন্তত ৫ জন নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।  

সোমবার সকালে রেলসচিব মোফাজ্জেল হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "রেলওয়ের চীফ    কর্মাশিয়াল অফিসার মো. মিজানুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা  হয়েছে"।

"কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কি কারণে এই দূর্ঘটনা সেটা তদন্তে বেরিয়ে আসবে", যোগ করেন তিনি।

এসময় তিনি সন্ধ্যার মধ্যেই উদ্ধারকাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। রেলসচিব বলেন, "আশা করছি সন্ধ্যার মধ্যে উদ্ধারকাজ শেষ হবে। লাইন চালুর জন্য সব ধরণের সরঞ্জাম প্রস্তুত আছে। আপাতত যতক্ষণ ট্রেন লাইন চালু করতে না পারছি ততক্ষণ পর্যন্ত ঢাকা সিলেট ও চট্রগ্রাম রেল চলাচল কুলাউড়া স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করবে"।

মোফাজ্জেল হোসেন আরো বলেন, "সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এই সমস্ত ট্রেনে কোচ লাগিয়ে ছিলাম। এই ট্রেনে ১৭ টি কোচ ছিল"।

এদিকে সোমবার বেলা ১১ টার দিকে উপবন ট্রেনের লাইনচ্যুত হওয়া ৫ বগির মধ্যে একটি বগি উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন। 

এসময় সিলেট আখাউড়া রেলসেকশনের কুলাউড়া জংশনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আতাউর রহমান দুর্ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে বলেন, "ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা বেশি থাকায় দূর্ঘটনার কারণ হিসাবে আমি মনে করি। ট্রেনে অতিরিক্ত বগি লাগানো হয়েছে। এসব বগির স্প্রিং গুলো অনেক পুরাতন যার ফলে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। তারপর ট্রেনে স্পিড কত ছিল এসব তথ্য বিশ্লেষণ করেই পাওয়া দূর্ঘটনার আসল কারণ। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছি দুর্ঘটনার কারণ ওভার লোডিং"।

উল্লেখ্য, রবিবার রাতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার বরমচাল স্টেশন সংলগ্ন বড়ছড়া খালের উপরের কালভার্টটি সিলেট থেকে আগত উপবন এক্সপ্রেস অতিক্রম করার সময় সেটি ভেঙে পড়ায় পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৫ জন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন।