• রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৩ রাত

সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ

  • প্রকাশিত ০৩:২৯ বিকেল জুন ২৬, ২০১৯
বেরোবি বিক্ষোভ
প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে বেরোবি কর্মচারীদের বিক্ষোভ ঢাকা ট্রিবিউন

কর্মচারীরা বুধবার সকালে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে তিন দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মধ্যরাতে প্রক্টর অধ্যাপক ফরিদুল ইসলামকে অপসারণ করে নতুন প্রক্টর নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল বন্ধের নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা।

বুধবার (২৬ জুন) তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন তারা। একইসঙ্গে কর্মচারীদের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষক তাবিউর রহমানকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করা হয়েছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাসুম খান অভিযোগ করে বলেন, ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধসহ তিন দফা দাবিতে সোমবার থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ধর্মঘট পালন করে আসছেন। মঙ্গলবার দুপুরে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী শিক্ষক তাবিউর রহমান তার বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী এবং বহিরাগতদের নিয়ে অবস্থানরত কর্মচারীদের ওপর হামলা চালান। এসময় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয় ১০ কর্মচারীকে। এ ঘটনার কোনো বিচার না করে পরদিন মধ্যরাতে প্রক্টর ফরিদুল ইসলামকে অপসারণ করে সহকারী প্রক্টর আতিউর রহমানকে প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেয় প্রশাসন। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন নির্দেশের প্রতিবাদে কর্মচারীরা বুধবার সকালে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে তিন দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় বুধবার কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করতে পারেননি। উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ এবং রেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামালও কার্যালয়ে আসেননি। ফলে কার্যত বন্ধ হয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড।

এ বিষয়ে জানার জন্য বেশ কয়েকবার উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমের ফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে, কোনো কারন ছাড়াই প্রক্টর পদ থেকে অপসারণের বিষয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম।