• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের 'ধর্ষক' ভাড়া করলেন নারী!

  • প্রকাশিত ১১:৫৬ সকাল জুন ২৯, ২০১৯
ধর্ষণ
প্রতীকী ছবি

খোশনবী গত ২৫ মে রাতে বেলতৈল দাখিল মাদ্রাসার পিছনে একটি ধানক্ষেতে ফজল নামের এক ব্যক্তিকে নিয়ে উপস্থিত হন।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এক নারী নিজেকে ধর্ষণের নাটক সাজিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জামালপুর পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য দেন এসপি দেলোয়ার হোসেন।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন, জামালপুর জজ কোর্টের আইনজীবীর সহকারী (মহুরী) খোশনবী ও ফজল নামের এক ব্যক্তি। 

এসপি দেলোয়ার হোসেন বলেন, উপজেলার এক গৃহবধূর সঙ্গে জমি নিয়ে চাচাতো ভাই নুরনবীর বিরোধ চলে আসছিল। নুরনবীকে মামলা দিয়ে ফাঁসাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হন ওই নারী। পরে জামালপুর জজ কোর্টের আইনজীবীর সহকারী (মহুরী) খোশনবী তাকে জমি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ মামলা করার পরামর্শ দেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, এর জের ধরে খোশনবী গত ২৫ মে রাতে বেলতৈল দাখিল মাদ্রাসার পিছনে একটি ধানক্ষেতে ফজল নামের ওই ব্যক্তিকে নিয়ে উপস্থিত হন। সেখানে ওই নারীর সঙ্গে ফজল শারীরিক সম্পর্ক করেন। রাতে তাকে দুই কিলোমিটার দুরে একটি বাড়িতে রাখা হয় এবং পরদিন উদ্ধার দেখিয়ে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে মেলান্দহ থানায় চাচাতো ভাই নুরনবী ও ভগ্নিপতি ছাইরুল ইসলামকে আসামি করে ওই গৃহবধু ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। আর এসব করার জন্য মহুরী খোশনবী তার কাছ থেকে ২২ হাজার টাকা নেন।

এসপি দেলোয়ার হোসেন আরও জানান, পরে তদন্তে ধর্ষণের ঘটনাটি মিথ্যা বলে প্রতিয়মান হওয়ায় ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পুলিশ সুপারকে জানান,মহুরীর পরামর্শে চাচাতো ভাইকে ফাঁসাতে ধর্ষণের নাটক সাজান তিনি। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ওই নারী।