• বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪০ রাত

শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে হামলার ঘটনায় ৯জনের ফাঁসি

  • প্রকাশিত ১২:৫৯ দুপুর জুলাই ৩, ২০১৯
শেখ হাসিনা
১৯৯৪ সালে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেন হামলায় জড়িত আসামিদের তিনজন। ঢাকা ট্রিবিউন

১৯৯৪ সালে সৈয়দপুর যাওয়ার পথে ঈশ্বরদীতে শেখ হাসিনার ট্রেন লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা

১৯৯৪ সালে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে হামলার ঘটনায় ৯জনের ফাঁসি ও ২৫জনের যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩ জুলাই) সকাল ১১ টা ৫২ মিনিট থেকে পাবনার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোস্তম আলী রায় পড়া শুরু করেন।

ফাঁসির আসামীরা হলেন, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপি সাবকে সভাপতি ও সাবেক মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু, পাবনা জেলা বিএনপি’র মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম আকতারুজ্জামান, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু,  ঈশ্বরদী পৌর যুবদলের সভাপতি মোস্তফা নূরে আলম শ্যামেল, বিএনপি নেতা মাহবুবুল রহমান পলাশ, শামছুল আলম, মুজিবুর রহমান, শহীদুল ইসলাম অটল, শামছুজ্জামান।

এ ঘটনায় ওই সময়ে জিআরপি পুলিশের ওসি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুলিশ মামলাটির পুনর্তদন্ত শেষে ঈশ্বরদীর শীর্ষ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ৫২জনকে আসামি করে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উত্তরাঞ্চলে ট্রেনে করে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন শেখ হাসিনা। ট্রেনটি পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে প্রবেশের সময় ওই ট্রেন লক্ষ্য করে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে ট্রেনে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে। এসময় পুলিশ বিএনপির নেতা-কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য এগিয়ে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়। ঘটনায় ৫২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। গত ২৫ বছরে আসামিদের পাঁচজন মারা গেছেন। রোববার বাকিদের মধ্যে ৩০জন আদালতে উপস্থিত হলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।