• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০০ বিকেল

সাম্বার দেশে বাংলার ফুটবল প্রতিভারা

  • প্রকাশিত ০৫:১২ সন্ধ্যা জুলাই ৩, ২০১৯
বাফুফে ব্রাজিল
ব্রাজিলে প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া বাংলাদেশি ফুটবলাররা বাফুফে

বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ মানুষ ব্রাজিলের সমর্থন করে। কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বড় সমর্থকগোষ্ঠী দেশের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করতে চায় দেশটির সরকার।

ফুটবলের ওপর প্রশিক্ষণ নিতে ব্রাজিলে পাঠানো হয়েছে বাংলাদেশের চারজন তরুণ ফুটবল প্রতিভাকে। মাসব্যাপী বিশেষ এই প্রশিক্ষণের জন্য তারা এখন অবস্থান করছে গামা শহরের এসপোর্তিভা দো গামা ফুটবল ক্লাবে।

আধুনিক ফুটবলের বিভিন্ন স্কিল এবং কলাকৌশল শেখানোর জন্যই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তাদেরকে সেখানে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

এসপোর্তিভা দো গামাতে যাওয়া ক্লাবে যাওয়া ফুটবলাররা হলো- ডিফেন্ডার নাজমুল হোসাইন আকন্দ, মিডফিল্ডার ওমর ফারুক মিঠু, মো. লতিফুর রহমান নাহিদ এবং ফরোয়ার্ড জোগেন লাকরা। গত ২৬ জুন ব্রাজিলের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে তারা। সঙ্গে রয়েছেন দলের কোচ আব্দুর রাজ্জাক ও নির্বাচক খন্দকার রাকিবুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত বছরের বাফুফে ডেভলপমেন্ট কাপ এবং বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ (অনুর্ধ্ব-১৭) থেকে তাদেরকে খুঁজে নেওয়া হয়।

বাফুফে জানিয়েছে, ফিফা বিশ্বকাপসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনের খেলায় বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ মানুষ ব্রাজিলের সমর্থন করে। কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বড় সমর্থকগোষ্ঠী দেশের ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করতে চায় দেশটির সরকার।

ব্রাজিল সরকারের এমন ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটাতে উদ্যোগী হন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলিয়ান রাষ্ট্রদূত হোয়াও তাবাজারা ডি অলিভেইরা জুনিয়র।

সম্প্রতি উভয়পক্ষ প্রতিভাধর তরুণ ফুটবলারদের বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের বিষয়ে একমত হলেও ফিফার নিয়মানুযায়ী ১৮ বছরের কমবয়সী ফুটবলাররা এত দীর্ঘসময় ধরে বাইরের দেশে অবস্থান করতে পারে না।

তবে বাফুফে এই মাসব্যাপী প্রশিক্ষণকে দেখছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার হিসেবে। তারা মনে করছেন এর মাধ্যমে আগামী বছর থেকে আরও তরুণ ফুটবলার ব্রাজিলে পাঠানো সহজ হবে। ব্রাজিলে যাওয়ার পর তাদের বরণ করে নেন সেখানকার বাংলাদেশি দূতাবাসের কর্মকর্তা ও ক্লাব প্রতিনিধিরা।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে ট্রেনিং শুরু করেছে তরুণ ফুটবলাররা। তাদের স্কিল ও খেলার ধরণ দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ব্রাজিলিয়ান কোচ ভিলসন তাদ্দেই। বিশেষ করে ফরোয়ার্ড যোগেন লাকরার ড্রিবলিং এবং বল কন্ট্রোলের ব্যাপক প্রশংসা করেন তিনি।

তাদ্দেই মনে করেন, এই প্রতিভাধর ফুটবলারদের ফিটনেসে ঘাটতি থাকায় প্রচুর কাজ করতে হবে।

বাফুফে’র আশা, একদিন এই তরুণ ফুটবলাররা দেশের জন অনেক সুনাম বয়ে আনবে।