• শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫০ সকাল

রিফাত হত্যা: আরো ২ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

  • প্রকাশিত ১০:৩৫ রাত জুলাই ৫, ২০১৯
বরগুনা
নিহত শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফ। ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় ঘন্টাব্যাপী বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে জবানবন্দি দেন আসামিরা।

রিফাত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার নাজমুল হাসান, ও মো. সাগর । এসময় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কামরুল হাসান সাইমুনকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

৫ জুলাই, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় ঘন্টাব্যাপী বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে জবানবন্দি দেন আসামিরা। এসময় বিচারক তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করে দু’জনকে জেল হাজতে পাঠান ও একজনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন, “জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেফতার নাজমুল হাসানকে প্রথমে তিনদিনের পরে আরো ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এ ছাড়াও কামরুল ইসলাম সাইমুন ও মো. সাগরকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে আজ  (শুক্রবার)সন্ধ্যার পর তাদেরকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। নাজমুল হাসান ও সাগর আদালতের বিচারকের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় কামরুল হাসান সাইমুনকে পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।” 

এনিয়ে এখন পর্যন্ত রিফাত হত্যা মামলায় ৬ জন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায়  জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ৫ জন মামলায় এজাহারভুক্ত। গ্রেপ্তার অপর ৫ জন সন্দেহভাজন।  

হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত ৬ আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত  করা হয় রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়শা আক্তার মিন্নি হামলাকারীদের বাঁধা দিয়েও স্বামীকে রক্ষা করতে পারেননি। পরে গুরুতর আহত রিফাতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই দিন বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।