• সোমবার, আগস্ট ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৪ বিকেল

ডিআইজি মিজানের বডিগার্ড, চালককে রবিবার জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক

  • প্রকাশিত ০৭:০১ রাত জুলাই ৬, ২০১৯
দুদক
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয় (ফাইল ছবি)। ছবি: মেহেদী হাসান/ ঢাকা ট্রিবিউন

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য শনিবার সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বডিগার্ড এবং চালককে ঘুষ অভিযোগ তদন্তে রবিবার জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য শনিবার সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, "জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বডিগার্ড হৃদয় হাসান এবং চালক সাদ্দাম হোসেনকে রবিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।"

এর আগে গত ১ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে হাজির হতে মিজানকে চিঠি দেয় কমিশন। ওইদিন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দুদকে হাজির না হলে ৮ জুলাই তাকে আবারও হাজির হতে চিঠি দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, দুদকের মামলায় মিজানুর রহমানকে গত মঙ্গলবার কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এছাড়া একই মামলায় মিজানুর রহমানের ভাগনে ঢাকার কোতয়ালী থানার এসআই মাহমুদুল হাসানকে বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠায় আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর পরিচালক মনজুর মোর্শেদ বাদী হয়ে গত ২৪ জুন মামলাটি (মামলা নম্বর ১) দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- ডিআইজি মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ভাগ্নে পুলিশের এসআই মাহমুদুল হাসান ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান।

মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা অর্জন এবং ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

এদিকে, একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সম্প্রতি খবর প্রচার করে যে, দুর্নীতির মামলা থেকে মুক্তি পেতে ডিআইজি মিজান দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন।

এরপর নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে বিতর্কিত ডিআইজি মিজানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। পরে ২৫ জুন তাকে বরখাস্তের কথা সাংবাদিকদের জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল অংকের অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় দুদক। অনুসন্ধান শেষে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।