• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৮ রাত

প্রাথমিকের শিক্ষকদের জন্য চালু হচ্ছে ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি

  • প্রকাশিত ০৮:১৬ রাত জুলাই ৬, ২০১৯
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রথম পর্যায়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৪৫টি স্কুলে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন স্থাপনের কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃপক্ষ

শিক্ষক ও কর্মচারীদের যথসময় স্কুলে উপস্থিত হওয়া এবং স্কুল ছুটির পরে ফেরার নিশ্চয়তা বিধানে সরকার এবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৬ জুন পাঠানো উপ-সচিব আছমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়।

ডিজিটাল হাজিরা মেশিন লাগানোর নির্দেশনা সংবলিত ওই চিঠিতে এর জন্য প্রয়োজনীয় মেশিনের ধরন, মনিটর সাইজ, ফিঙ্গার প্রিন্ট ক্যাপাসিটি, লগ ক্যাপাসিটি, স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন, ব্যাটারি ব্যাক-আপ, পাওয়ার সাপ্লাই, ওয়ারেন্টি, ওয়ারলেস রাউটার সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে।  

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় স্কুল লেভেল ইমপ্রুভমেন্ট প্লান (স্লিপ) ফান্ডের অর্থ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতকরণের জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে আর্থিক বিধি বিধান অনুসরন করে স্লিপ ফান্ডের অর্থ দিয়ে উক্ত খাতের অর্থে যথাযথভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১৪৫টি স্কুলে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন স্থাপনের কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃপক্ষ।

এদিকে অভিভাবকসহ সাধারণ শিক্ষানুরাগীরা সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানান, সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনভাতা বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু এক শ্রেণীর চিহ্নিত শিক্ষক যথসময় স্কুলে না যাওয়া এবং ছুটির আগে বাড়িতে ফেরা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এমনও কতিপয় শিক্ষক রয়েছেন যাদের শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত চেনে না।

এপ্রসঙ্গে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবুল বাশার জানান, "সরকারের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করা হবে।"

তবে, ১৪৫টি স্কুলে এই মেশিন স্থাপনের কথা থাকলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় প্রথম পর্যায়ে ১২০টির বেশি স্কুলে হাজিরা মেশিন স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে।