• মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০২ বিকেল

ঢাকা-বেইজিং কৌশলগত সহযোগিতা এশিয়া ও বাইরের অঞ্চলের ‘সমৃদ্ধির জন্য সহায়ক’

  • প্রকাশিত ১০:৩৪ রাত জুলাই ৬, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দিয়াওয়ুতাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং। ফোকাস বাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দিনের সরকারি সফরের সময় চীনা নেতৃত্ব বাংলাদেশকে এ বার্তা দিয়েছে

চীন বাংলাদেশকে বার্তা দিয়েছে যে দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিজেদের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি এশিয়া ও বাইরের অঞ্চলের সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতার জন্য ‘বৃহত্তর উপায়ে সহায়ক’ হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ দিনের সরকারি সফরের সময় চীনা নেতৃত্ব বাংলাদেশকে এ বার্তা দিয়েছে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে সফরটি ‘খুব গুরুত্বপূর্ণ’ ছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশ সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে।

চায়না ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিআইআইএস) নির্বাহী সহ-সভাপতি ড. রুয়ান জংজি বলেন, "বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং এটি আরও শক্তিশালী হবে।"

তার মতে, সহযোগিতার অনেকগুলো বিষয় রয়েছে এবং উন্নত ভবিষ্যতের জন্য সেগুলো নিয়ে দুই দেশের একসাথে কাজ করা দরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরটিকে শুধুমাত্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, সেই সাথে অঞ্চলিক দৃষ্টিকোণ থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের (আইএসএএস) প্রিন্সিপাল রিসার্চ ফেলো ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, "অবশ্যই বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক মজবুত। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আংশিকভাবে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) কারণে চীনের বিপুল বিনিয়োগ এবং সেই সাথে কেবলমাত্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নিরিখেও এটি আরও মজবুত হবে।"

চীনের পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষ করে শনিবার দেশে ফেরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সফর নিয়ে সোমবার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করবেন।

বিদ্যুৎ, পানিসম্পদ, সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আড়াই হাজার মেট্রিক টন চাল সরবরাহে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও চীন নয়টি চুক্তি সই করে।

বেইজিংয়ে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষরিত চুক্তিগুলোর মধ্যে দুটি ঋণচুক্তি রয়েছে।

শুক্রবার বেইজিংয়ে দিয়াওয়ুতাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে আলাপ করেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং। তিনি দুই দেশকে প্রচলিত বন্ধুত্ব এগিয়ে নেয়ার এবং যৌথভাবে দুই দেশের সহযোগিতা ও অভিন্ন উন্নয়নকে বর্ধিত করার আহ্বান জানান।