• রবিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৭ রাত

টানা বর্ষণ: বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্রগুলো যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

  • প্রকাশিত ০৪:১৫ বিকেল জুলাই ৮, ২০১৯
বান্দরবান পাহাড় ধস
কয়েকদিনের টানা বর্ষণে বান্দরবানের পাহাড় ধস ঢাকা ট্রিবিউন

সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বেড়েছে

টানা বর্ষণে বান্দরবানের নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি চিম্বুক সড়কের নয় মাইল এলাকায় পাহাড় ধসে রুমা ও থানচি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৮ জুলাই) সকালে প্রবল বর্ষণের সময় ওই এলাকায় সড়কের ওপর একটি বিশাল পাহাড় ধসে পড়লে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

পাহাড়ে ভারী বর্ষণের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলোতে বসবাসরত জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য জেলা-উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে এবং জেলার সাতটি উপজেলায় খোলা হয়েছে ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্র।

জেলা সদরের ইসলামপুর, কালাঘাটা, বালাঘাটা, ইসলামপুর, লাঙ্গীপাড়া, বড়ুয়ার টেক, হাফেজ ঘোনাসহ বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থানরত বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাই তাদেরকে আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিংয়ের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেছে জেলা প্রশাসন ও রেড ক্রিসেন্ট।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টানা চার দিনের ভারী বর্ষণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের ব্যাপক আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসতির বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে বান্দরবান সদরে ১০টি, লামায় ৫৫টি, রুমায় ৬টি, থানচিতে ৩টি, আলীকদমে ১০টি, রোয়াংছড়িতে ২২টি ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২০টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সরিয়ে আনতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

এদিকে, সোমবার সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বেড়েছে। আর বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে লামা উপজেলার পৌর এলাকাসহ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।