• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:৩১ দুপুর

দুর্গম থানচিতে আটকা বহু পর্যটক, করা যাচ্ছে না যোগাযোগ

  • প্রকাশিত ০৮:৪০ রাত জুলাই ৮, ২০১৯
থানচি
ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

ওইসব জায়গায় কোনো ধরনের মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় আটকা পড়া ওই পর্যটকদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

চার দিনের টানা বর্ষণে সাংগু নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে বান্দরবানের থানচি উপজেলায় দুর্গম এলাকায় বেড়াতে গিয়ে আটকা পড়েছে অন্তত ৩০ জন পর্যটক। সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করাও সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবল বর্ষণে সাঙ্গু নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় থানচির রেমাক্রি, তিন্দু,বড় মদক ও ছোট মদকে নৌ চলাচল বন্ধ আছে। পাহাড়ি রাস্তায় চলাচল বিপদজনক হওয়ার কারণে থানচির পর্যটন রুট জিন্না পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পর্যটকরা আটকা পড়ে।

এই বিষয়ে থানচির পর্যটক গাইড জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, থানচির জিন্না পাড়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা অন্তত ২০জন পর্যটক আটকা পড়েছে। 

তবে আটকা পড়া পর্যটকের সংখ্যা ৩০ জনের বেশি বলে স্থানীয় আরও কয়েকজন গাইডের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। 

থানচি ও রুমার উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সাঙ্গু নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌ পথে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গত শুক্রবার থেকে থানচির রেমাক্রি,তিন্দু,বড়পাথর, নাফাখুম ও রুমার তিনাপসাইতার, বগালেক, কেওক্রাডংসহ  বিভিন্ন পর্যটন স্পটে পর্যটক যাতায়তে বন্ধ রাখে উপজেলা প্রশাসন।

থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়েরুল হক ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, থানচির জিন্নাহ পাড়ায় ২৫ জন পর্যটক অবস্থান করছিল। তারমধ্যে আজ সোমবার সন্ধ্যায় চারজন থানচি সদরে চলে আসে। থানচির রেমাক্রিতে আরও পর্যটক আটকা পড়তে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল হক মৃদুল বলেন, পাহাড়ে ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ার আগে পর্যটকদের তিনটি দলের মোট ২৫ জন তিন্দু, রেমাক্রি, নাফাখুম হয়ে আরও দূর্গম এলাকায় বেড়াতে যায়। পরে ভারী বর্ষণে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধিতে নৌকা চলাচল না করায় ওই পর্যটকরা থানচি উপজেলা সদরে এখনও আসতে পারেনি।

তিনি আরও জানান, ওইসব জায়গায় কোনো ধরনের মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় আটকা পড়া ওই পর্যটকদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

প্রসঙ্গত, টানা চার দিনের ভারী বর্ষণের কারণে উপজেলাগুলোর বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের ব্যাপক আশঙ্কা দেখা দেয়। ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়।