• মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫০ রাত

আম আছে, ক্রেতা নেই!

  • প্রকাশিত ০১:৪২ দুপুর জুলাই ১০, ২০১৯
আমের
ঠাকুরগাঁও জেলা সূর্যপুরী আমের জন্য বিখ্যাত। সেই আমের বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি প্রায় শূন্য। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

বাজারে ১৫০০-২০০০ টাকা মণ দরে উন্নত জাতের আম বিক্রি হচ্ছে

ঠাকুরগাঁও জেলা সূর্যপুরী আমের জন্য বিখ্যাত। সেই আমের বাজারেও ক্রেতার উপস্থিতি প্রায় শূন্য। এতে আম বাগানের মালিক ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা হতাশ। খুচরা বাজারে কম দামে কিছু আম বিক্রি হচ্ছে। তবে পাইকারী বাজারে আমের দাম কিছুটা বেশি। 

যারা আগাম বাগান বিক্রি করেছেন, শুধু তাদেরই লাভ হয়েছে। বাজারে ১৫০০-২০০০ টাকা মণ দরে উন্নত জাতের আম বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে সূর্যপুরী আম এদামে পাওয়া যাচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের ঠাকুরগাঁওয়ের উপপরিচালক ও কৃষিবিদ আফতাব হোসেন জানান, এই জেলায় সূর্যপুরী আমের বাগান রয়েছে ২ হাজার ৮৮৭ হেক্টর। বাগানের সংখ্যা দেড় হাজার। এছাড়া এবার ৩০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের সবচেয়ে বড় ফলের মোকাম ঠাকুরগাঁও রোড বাজারে। এখান থেকে সারাদেশে বিপুল আমের আমদানি হয়ে থাকে কিন্তু এবার এখানে ক্রেতা খুবই কম। প্রতিকেজি সূর্যপুরী আম বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা জানান, এমনিতেই এ বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় আমের উৎপাদন কম হয়েছে।

বালিয়াডাঙ্গী এলাকার জাহাঙ্গীর আলম নামে এক বাগান মালিক জানান, “গতবছর আমের ব্যাপক ফলন হওয়ায় দাম কম ছিল। এবার দাম কিছুটা বেশি হলেও ফলন কম।”

ঢাকার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, “তিনি একটি বাগান ৬ লাখ টাকায় কিনেছেন। বাগান পরিচর্যাসহ আনুষাঙ্গিক ব্যয় হয়েছে আরও ৩ লাখ টাকা। সবমিলে বাগানের পেছনে খরচ পড়েছে ৯ লাখ টাকা। এবার ফলন কম হওয়ায় লাভ হবে কম।”

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আফতাব হোসেন জানান, “গতবছরের তুলনায় এবার আমের ফলন কম হলেও দাম কিছুটা বেশি। তাই কৃষক লাভবান হবে। কৃষক অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি আম বিক্রি করে নগদ অর্থ পাচ্ছেন। এটা তাদের বাড়তি আয়।”