• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪২ সন্ধ্যা

বান্দরবানে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

  • প্রকাশিত ১২:৩৩ দুপুর জুলাই ১৩, ২০১৯
বান্দরবান
টানা নয়দিনের প্রবল বর্ষণে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

মঙ্গলবার থেকে বাজালিয়ার বড়দোয়ার এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় ৫য় দিনের মতো সারাদেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে বান্দরবানের

টানা নয়দিনের প্রবল বর্ষণে বান্দরবানের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফলে প্লাবিত হয়েছে জেলা সদরের আর্মিপাড়া, ইসলামপুর,বাসস্টেশনছাড়াও লামা, আলীকদম, রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ির নিম্নাঞ্চল। ফলে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন জেলার ২০ হাজার মানুষ।

শুক্রবার বৃষ্টি কম হওয়ার নিম্নাঞ্চল থেকে পানি কিছুটা কমলেও শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে আবারও পানি বেড়েছে।

এদিকে, গত মঙ্গলবার থেকে বান্দরবান কেরাণীহাট সড়কের বাজালিয়ার বড়দোয়ার এলাকায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে পঞ্মদিনের মতো বান্দরবানের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। 

বান্দরবানের বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দাশ ঝন্টু জানান, “বান্দরবান কেরানিহাট সড়কের বাজালিয়ায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।”

বন্যাদূর্গতের স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ টিম গঠনের পাশাপাশি জেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ১৩১টি। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে পৌরসভাসহ বিভিন্ন সংস্থা খাবার বিতরণ করছে।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র ইসলাম বেবী বলেন, “শহরের বন্যা কবলিত এলাকার তিনহাজার মানুষকে প্রতিবেলা খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। জেলায় বন্যার কারণে বহু ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বাড়ছে ভোগ্য পণ্যের দাম।” 

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম বলেন, “বন্যা দুর্গতদের জন্য জেলায় ৪৫০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।”