• মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:২১ দুপুর

লন্ডনে চতুর্থ গিনেস রেকর্ডের অপেক্ষায় বাংলাদেশি সুদর্শন

  • প্রকাশিত ০৮:৫৫ রাত জুলাই ১৬, ২০১৯
গিনেস
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ছেলে সুদর্শন দাশ। ছবি: সংগৃহীত

টানা ৬ দিন ঢোল বাজানোর পর ১৩ জুলাই তিনি ঘুমাতে যান।

টানা ১৪০ ঘণ্টা ঢোল বাজিয়ে চতুর্থবারের মতো গিনেস বুকে নাম লেখানোর অপেক্ষার রয়েছেন লন্ডনে বসবাসরত বাংলাদেশি পণ্ডিত সুদর্শন দাশ।

লন্ডনের এন্টারপ্রাইজ একাডেমিতে গত ৮ জুলাই থেকে ‘একক ড্রাম ম্যারাথন’ শুরু করেন সুদর্শন দাস। পরবর্তী ৬দিনে টানা ১৪০ ঘণ্টা ৫ মিনিট ঢোল বাজান তিনি। পুরো ঘটনাটি দুটি ক্যামেরা দিয়ে রেকর্ড করা হয়। এই ছয়দিনে গিনেস কর্তৃপক্ষের নিয়মানুসারে প্রতি ঘণ্টায় তিনি মাত্র ৫ মিনিট করে বিরতি নিয়েছেন। টানা ৬দিন ঢোল বাজানোর পর ১৩ জুলাই তিনি ঘুমাতে যান।

নিয়মানুসারে সুদর্শন দাশ ইতোমধ্যেই তার ঢোল বাজানোর ভিডিও, ঘটনার সাক্ষী ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত গিনেস কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করে স্বীকৃতির অপেক্ষায় রয়েছেন।

সুদর্শন দাশ আশা করছেন, এ রেকর্ডের মাধ্যমে তিনি ৩৫০০ ইউরো সংগ্রহ করতে পারবেন যা এতিম শিশুদের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।

নতুন এই রেকর্ডটির আগেও সুদর্শন দাশের তিনটি গিনেস রেকর্ড রয়েছে। বর্তমানে তবলা ম্যারাথন (৫৫৭ ঘন্টা ১১ মিনিট), ঢোল ম্যারাথন (২৭ ঘন্টা) এবং একক ড্রাম ম্যারাথন (১৪ ঘন্টা) রেকর্ড সুদর্শন দাশের দখলে।

এর আগে গতবছর তিনি গিনেস রেকর্ডের অংশ হিসেবে একক ড্রাম ম্যারাথনে অংশ নিয়ে প্রাপ্ত অর্থ রোহিঙ্গাদের সহায়তায় দান করেছিলেন। এছাড়া সহায়তার অংশ হিসেবে সুদর্শন দাশ ও তার দলের সদস্যরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং রোহিঙ্গা শিশুদের মধ্যে স্কুল ব্যাগ, বই, কলম, পেন্সিল ইত্যাদি শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী বিতরণ করেন।

প্রসঙ্গত, সুদর্শন দাশের পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায়। আইন পড়ার উদ্দেশে লন্ডন পাড়ি জমালেও তবলার নেশা তাকে ছাড়েনি। ২০০৪ সালে নিউহ্যাম এলাকায় ‘তবলা অ্যান্ড ঢোল একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেন সুদর্শন।