• সোমবার, আগস্ট ২৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪৩ সকাল

রিফাতের স্ত্রী মিন্নি রিমান্ডে

  • প্রকাশিত ০৪:২৭ বিকেল জুলাই ১৭, ২০১৯
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। ঢাকা ট্রিবিউন

মিন্নি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতকে বলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় অন্যতম সাক্ষী (১ নম্বর) নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩টায় মিন্নিকে বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর হুমায়ুন কবির সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং আদালতের পরিদর্শক আব্দুল কুদ্দুসের বক্তব্য গ্রহণ শেষে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মিন্নির পক্ষে আদালতে নিজস্ব কোনো আইনজীবী না থাকায় আদালত সরাসরি তার বক্তব্য গ্রহণ করে।


আরও পড়ুন- রিফাত হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় স্ত্রী মিন্নি গ্রেপ্তার 


এসময় মিন্নি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতকে বলেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। আসামিরা তাকে বিভিন্নসময়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েছে। তিনি স্বামী হত্যার বিচার চান।

এর আগে বুধবার সকাল পৌনে ১০টায় মিন্নিকে জিজ্ঞাবাদের জন্য তার বাবার বাড়ি মাইঠা গ্রাম থেকে পুলিশ লাইনে ডেকে আনা হয়। পরে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওইদিন রাত ৯টায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে।

গ্রেপ্তারের ব্যাপারে বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সংশ্লিষ্টতা প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় মামলার মূল রহস্য উদঘাটন এবং সুষ্ঠু তদন্তের নিমিত্তে মিন্নিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রিফাতের বাবা বেশ কয়েকবার মিন্নিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

রিফাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২ জুলাই ভোররাতে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত তিনজনসহ সাত আসামি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এঘটনায় বর্তমানে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।