• বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১৬ বিকেল

সেই অজগরটির ডিম ফুটতে শুরু করেছে

  • প্রকাশিত ০৯:৪৩ রাত জুলাই ১৭, ২০১৯
সাপ
মানুষের উপস্থিতিতে তেড়ে যাচ্ছে মা অজগরটি। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

সদ্য ফুটানো বাচ্চাগুলোর নিরাপত্তায় সাপটি উদ্বিগ্ন হয়ে আছে। মানুষের উপস্থিতিতে তেড়ে যাচ্ছে মা অজগরটি।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ‘বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে’ থাকা একটি অজগরের ডিম থেকে বাচ্চা ফুটতে শুরু করেছে। 

১৭ জুলাই,বুধবার সকাল থেকে এ  রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়েছে বলে জানা গেছে।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, এখনো কয়েকটি ডিম বাচ্চা ফোটার অপেক্ষায় রয়েছে এবং কয়েকটি ডিমের ভেতর থেকে অজগরের বাচ্চার মাথা বের হয়ে আছে। 

এর আগে গত ৯ জুন, শনিবার রাতে অজগরটি ৩২টি ডিম পারে। ডিম পাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অজগরটি নিজেকে বৃত্তাকারে গুটিয়ে নিয়ে ডিম ঢেকে রেখে ‘তা’ দিতে শুরু করে। এক মাসের বেশি তা দেওয়ার পর বুধবার সকালে ডিমগুলো থেকে বাচ্চা ফুটতে শুরু করে। 

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন জানিয়েছে,হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সীমান্তের দিনারপুর পাহাড়ের একটি লেবুর বাগান থেকে ১৯৯৯ সালে অজগরটি উদ্ধার করার পর এবার চতুর্থ দফায় ডিম পাড়ে। এর আগে ওই অজগরটি প্রথম ২০০২ সালের মে মাসে ৩২টি ডিম পেড়েছিল। ডিম পাড়ার ৫৯ দিন পর ২৮টি বাচ্চা ফুটেছিল। দ্বিতীয় দফায় ২০০৪ সালের ১৩ মে ৩৮টি ডিম দিয়েছিল অজগরটি। সেবারও ৬০ দিন পর বাচ্চা ফুটেছিল ৩২টি। সর্বশেষ ২০১১ সালের মে মাসে ৩০টি ডিম দিয়েছিল অজগরটি।

বুধবার বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে দেখা যায়, সদ্য ফুটানো বাচ্চাগুলোর নিরাপত্তায় সাপটি উদ্বিগ্ন হয়ে আছে। মানুষের উপস্থিতিতে তেড়ে যাচ্ছে মা অজগরটি। তবে ডিম পাড়ার পর থেকে কুণ্ডলি পাকানোর কারণে প্রকৃতপক্ষে কতটা ডিম ফুটেছে তা জানা সম্ভব হয়নি।  

সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব বলেন,“আশা করি বৃহস্পতিবার সব ডিম থেকে বাচ্চা বেরিয়ে আসবে এবং তখন জানা যাবে আসলে কতটি ডিম পেড়েছে।”

এর আগে তিনি অনুমান করে বলেছিলেন অন্তত ৩২টি ডিম দিয়েছে অজগরটি।