• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী: বন্যা দুর্গত এলাকায় 'মুজিব কেল্লা' নির্মাণ করা হবে

  • প্রকাশিত ০৭:৩৩ রাত জুলাই ২৫, ২০১৯
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশসান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের স্তাহে কথা বলছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। ঢাকা ট্রিবিউন

'নিরাপদ উচ্চতাসম্পন্ন এসব মুজিব কেল্লায় আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়াও বিস্তীর্ণ মাঠ থাকবে। এতে করে গবাদি পশুও সেখানে আশ্রয় নিতে পারবে'

বন্যাদুর্গত এলাকার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে সরকার একটি করে 'মুজিব কেল্লা' নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশসান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, "বন্যাদুর্গত এলাকার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে মুজিব কেল্লা নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। মূল ভূমি থেকে নিরাপদ উচ্চতাসম্পন্ন এসব মুজিব কেল্লায় আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও বিস্তীর্ণ মাঠ থাকবে। এতে করে গবাদি পশুও সেখানে আশ্রয় নিতে পারবে।"

প্রতিটি মুজিব কেল্লা ৫ একর জমির উপর নির্মিত হবে উল্লেখ করে ডা. মো. এনামুর রহমান আরও বলেন, "শেখ হাসিনার সরকার বন্যার্তদের পাশে রয়েছে। বন্যা দুর্গতদের কষ্ট লাঘবে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ সরকার গ্রহণ করবে। আমরা ইতোমধ্যে ত্রাণ তৎপরতা বাড়িয়েছি। প্রয়োজনে বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।"

"আমরা নদী খনন করে বন্যাকবলিত এলাকার এমন সংস্কার করবো যাতে করে বন্যার পানি আর লোকালয়ে প্রবেশ না করে। এজন্য সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বানভাসি জনপদের মানুষদের স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে", যোগ করেন তিনি। 

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামালসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।