• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪২ সন্ধ্যা

কুড়িগ্রামে ফের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

  • প্রকাশিত ১১:৩৭ সকাল জুলাই ২৬, ২০১৯
কুড়িগ্রাম
বন্যায় ডুবে গেছে ঘর, টিনের চালে আশ্রয় নিয়ে ত্রানের অপেক্ষায় কুড়িগ্রামের একটি পরিবার। ফোকাস বাংলা

বন্যার পানি নেমে যেতে না যেতেই নতুন করে আবারো দ্বিতীয় দফা বন্যার কবলে পড়ায় বানভাসিদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে

ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হয়েছে।

নতুন করে প্লাবিত হয়ে পড়ছে বন্যা কবলিত এলাকাগুলো। গত এক সপ্তাহ ধরে নদ-নদীর পানি হ্রাস পেয়ে বিপৎসীমার নীচে নামলেও গত মঙ্গলবার থেকে নতুন করে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৫১ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে করে বন্যার পানি নেমে যেতে না যেতেই নতুন করে আবারো দ্বিতীয় দফা বন্যার কবলে পড়ায় বানভাসিদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। হাতে কাজ ও ঘরে খাবার না থাকায় চরম খাদ্যসংকটে পড়েছেন চরাঞ্চলের বন্যাদুর্গত মানুষ।

এদিকে বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত রোগ। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চরাঞ্চলের চারণভূমি তলিয়ে থাকায় গবাদি পশুর খাদ্যসংকট চরম আকার ধারণ করেছে। এবছরের বন্যায় এই পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে জেলার বন্যা কবলিত ৮ লক্ষাধিক মানুষের জন্য সরকারিভাবে ১ হাজার মেট্রিক টন চাল, ৭ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে সামান্য ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

এছাড়াও জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভায় অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানের নির্দেশে ৫শ’ মেট্রিক টন জিআর চাল, ১০ লাখ টাকা, ৪শ’ বান্ডিল ঢেউটিন, গৃহনির্মাণ বাবদ ১ কোটি ২০ লাখ টাকা, ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ১ হাজার দুর্যোগসহনীয় ঘর তৈরি এবং ৩ মাসের জন্য ভিজিএফ চলমান রাখার বরাদ্দ দেয়া হয়।