• বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০০ রাত

এবার কানাডায় গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলেন এস কে সিনহা

  • প্রকাশিত ০২:৪৪ দুপুর জুলাই ২৬, ২০১৯
এস কে সিনহা
কানাডায় গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা সংগৃহীত

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছিলেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি

যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার কানাডায় গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। দেশটির গণমাধ্যম দ্য স্টার জানিয়েছে, রাজনীতিক-আমলা-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় বাংলাদেশে তাকে ‘টার্গেট’ বানানো হয়েছে অভিযোগ তুলে তিনি আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।

তবে দ্য স্টার সিনহার এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেগুলো অস্বীকার করেছেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। 

হাইকমিশনার বলেন, “দেশত্যাগের পর থেকেই তিনি (সিনহা) সরকারের নামে এসব বিকৃত তথ্য উপস্থাপন করে আসছেন। দেশে ফেরার ক্ষেত্রে তাকে কোনো হুমকি দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্যই তিনি এসব বলে বেড়াচ্ছেন।”

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছিলেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। নিউজার্সিতে ছোট ভাই অনন্ত কুমার সিনহার নামে কেনা একটি বাড়িতেই তিনি থাকছিলেন। কানাডার দ্য স্টার জানিয়েছে, গত ৪ জুলাই ফোর্ট এরি সীমান্ত হয়ে সিনহা কানাডায় প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জমা দেন।   

চলতি সপ্তাহে দ্য স্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিনহা বলেছেন, ‘‘বিচারক হিসেবে আমি অ্যাকটিভিস্টের ভূমিকা নিয়েছিলাম বলেই আমাকে লক্ষ্যবস্তু (টার্গেট) বানানো হয়েছে। আমার দেওয়া রায় আমলা, স্টাবলিশমেন্ট, রাজনীতিক, এমনকী সন্ত্রাসীদের ক্ষোভের কারণ হয়েছিল। আর এখন আমি দেশের শত্রু।’’

সাক্ষাৎকারে নিজেকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ আখ্যা দিয়েছেন সিনহা। কূটনীতির ভাষায়, কোনো দেশের নাগরিককে যখন ওই দেশের সরকার প্রবেশ নিষিদ্ধ করে তখন তাকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তখন তারা বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারেন।

উল্লেখ্য, গত বছর সিনহার পদত্যাগের পর বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।