• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫২ রাত

সিরাজগঞ্জের নলকা সেতু: দুর্ভোগে পড়তে পারেন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা

  • প্রকাশিত ০৫:৩০ সন্ধ্যা জুলাই ২৬, ২০১৯
সিরাজগঞ্জ সেতু
সিরাজগঞ্জের ঝুঁকিপূর্ণ নলকা সেতু ঢাকা ট্রিবিউন

গত বছর সেতুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে দুই প্রান্তেই সাইনর্বোড ঝুলিয়ে দেয় সওজ

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড়ে সিরাজগঞ্জের ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের ওপর সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) ‘নলকা সেতু’টি উত্তরাঞ্চলগামী চালক-যাত্রীদের কাছে বরাবরই দুর্ভোগের সেতু হিসেবে পরিচিত। ঝুঁকিপূর্ণ ও ভঙ্গুর এ সেতুটির উভয়পাশে প্রতি বছরই বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। 

রোজার ঈদের আগেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। গত কয়েকবছর ধরে ঈদের সময় সেতুর উপরিভাগে মেরামত কাজের কারণে দুই পাড়ে ৪-৫ ঘণ্টা করে আটকে থাকতে হয় যাত্রীদের। দীর্ঘ সময় আটকে থেকে ভোগান্তি পোহাতে হয় যাত্রীদের। এরইমধ্যে আসন্ন ঈদুল আযহা। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর ওপরিভাগের খানাখন্দ ও বিটুমিন-পাথরের স্তর ফুলে ওঠায় মেরামতের পরিকল্পনা করছে সওজের। এই মুহূর্তে ওই মেরামত শুরু হলে আগের মতোই বিড়ম্বনার আশংকা করছেন অনেকেই। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের নলকায় ফুলঝোর নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত এ সেতুটির পশ্চিমাংশের একটি স্প্যানে গত বছর ফাটল দেখা দেয়। নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন এবং যানবাহনের চাপে ভঙ্গুর দশার সেতুটি বর্তমানে অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ। 

এরইমধ্যে গত বছর সেতুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে দুই প্রান্তেই সাইনর্বোড ঝুলিয়ে দেয় সওজ। তা সত্ত্বেও ঝুঁকি নিয়ে এর ওপর দিয়ে চলছে রাজধানী ও উত্তরাঞ্চলগামী হাজার হাজার যানবাহন।

গত রোজার ঈদের আগে-পরে এ সেতুটি ভুগিয়েছে লাখ লাখ যাত্রীকে। আসন্ন কোরবানির ঈদের আগে একই আশঙ্কায় করছেন যাত্রীরা। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জের ঢাকা-রাজশাহী ও বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে আগামীতে ফোরলেন মহাসড়কসহ ভগ্নাদশা এ নলকা সেতুর পাশে আরেকটি নতুন আধুনিক সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সওজের। কোরবানীর আগে দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত স্থায়ী ও গুনগত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। 

এ বিষয়ে সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম পিকে বলেন, প্রতি বছরই বিশেষ করে ঈদের আগে বিটুমিন ও পাথরের মিশ্রণ দিয়ে জয়েন্ট এক্সপানগুলোর ওপরে শক্ত প্রলেপ দেওয়া হয়। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই যানবাহনের চাপে তা উঠে যায়।