• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৮ সকাল

কুড়িগ্রামের নদীতে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির মাছ!

  • প্রকাশিত ০৯:১৪ রাত জুলাই ২৬, ২০১৯
মাছ
বিরল প্রজাতির সাকার মাছ। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

শুক্রবার ভোর বেলা উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী জিঞ্জিরাম নদীতে মাছ ধরার সময় মোস্তফা নামে এক জেলের জালে ধরা পরে প্রায় ১ কেজি ওজনের এ মাছটি।

কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার জিঞ্জিরাম নদীতে জেলের জালে ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’ নামে এক বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পড়েছে। 

২৬ জুলাই, শুক্রবার ভোর বেলা উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী জিঞ্জিরাম নদীতে মাছ ধরার সময় মোস্তফা নামে এক জেলের জালে ধরা পরে প্রায় ১ কেজি ওজনের এ মাছটি।

স্থানীয়রা এটিকে ‘টাইগার মাছ’ বললেও মাছটির আসল নাম ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’। এর শরীরে বাদামি ও কাল রঙের বিন্দ বিন্দু ছাপ রয়েছে। কয়েকমাস আগে একই প্রজাতির আরও একটি মাছ ধরা পড়েছিল জিঞ্জিরাম নদীতে।

রিরল প্রজাতির এ মাছ ধরার খবর পেয়ে উপজেলা মৎস্য সমিতির সভাপতি আজিজ মিয়া মাছটি নিয়ে রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে ইউএনও   মেহেদী হাসান ও উপজেলা মৎস কর্মকর্তা (ইউএফও)  সাকুর আলীর উপস্থিতিতে মাছটি উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে অবমুক্ত করা হয়।            

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে সাকার মাউথ ক্যাটফিসের বৈজ্ঞানিক নাম Hypostomus plecostomus। মাছটি Hypostomus plecostomusLoricariidae  পরিবারভুক্ত। সাধারণত এই মাছগুলো মুখ দিয়ে চুষে খাবার খায়। মাছটি সাধারণত একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

রাজীবপুর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা (ইউএফও)  সাকুর আলী বলেন,“এই মাছটি বিদেশি মাছ। বিভিন্ন দেশে এটি একুরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। এরা সাধারণত মিঠা পানির তলদেশে বাস করে এবং শেওলা জাতীয় উদ্ভিদ খায়।”

সাকার মাউথ ক্যাটফিস ধরা পড়ার খবরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন,“এটি একিউরিয়ামে শোভাবর্ধক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও আমাদের দেশের যশোর অঞ্চলে এটি চাষ হয় এবং ওই অঞ্চলের মানুষ এই মাছ খায়ও।” 

বন্যার কারণে ভারত কিংবা দেশের অভ্যন্তরের কোনো পুকুর থেকে মাছটি ভেসে আসতে পারে বলে জানান এই মৎস্য কর্মকর্তা।