• শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৪৬ বিকেল

নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকালো নিজেই

  • প্রকাশিত ১০:৪৪ রাত জুলাই ২৮, ২০১৯
বিয়ে

ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়।

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় নিজের বাল্যবিবাহ নিজেই বন্ধ করলো নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী। রোববার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ দেওড়া গ্রামে এঘটনা ঘটে।

জানা যায়, উপজেলার পারুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী কাকলী আক্তার (১৪) নিজের বাল্যবিবাহের বিষয়টি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোজ্জাম্মেল হোসেনকে জানায়। তিনি সঙ্গেসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা ইয়াসমিনকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের অফিস সহকারী আব্দুল বাছেদ জানান, দেওড়া গ্রামের কাজল মিয়ার স্কুলপড়ুয়া মেয়ে কাকলী আক্তারকে অপ্রাপ্তবয়সে বিয়ে দেওয়া হচ্ছিলো।  খবর পেয়ে ইউএনওর হস্তক্ষেপে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন তিনি। পরে বিয়ে বন্ধ করা হয়। 

এসময় শিক্ষার্থীর পরিবার অঙ্গীকার করেন যে, মেয়ের প্রাপ্তবয়স না হওয়া পর্যন্ত কাকলী আক্তারকে লেখাপড়া শেখাবেন।