• শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৮ রাত

ডেঙ্গুর পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণা: ইবনে সিনার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রকাশিত ০৪:৫৯ বিকেল জুলাই ৩০, ২০১৯
ইবনে সিনা ধানমন্ডি
ইবনে সিনা হাসপাতালের ধানমন্ডি শাখা সংগৃহীত

একজন সুস্থ মানুষের রক্তের প্লেটিলেট লেভেল দেড় লাখ থেকে সাড়ে ৪ চার লাখ থাকে। কিন্তু ইবনে সিনার ডায়াগনস্টিক সেন্টার রক্তের প্লেটিলেট লেভেল আসে ৭ লাখ ৮৪ হাজার সিএমএম

ডেঙ্গু জ্বরের পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ইবনে সিনা হাসপাতালের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক আইনজীবী। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) ঢাকা মহানগর হাকিম দিদার হোসেনের আদালতে ঢাকা বারের আইনজীবী রমজান আলী সরকার মামলাটি করেন।

আসামিরা হলেন- ইবনে সিনা হাসপাতালের চেয়ারম্যান, ইবনে সিনা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ইমেজিং সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং কনসালট্যান্ট (হেমাটোলজিস্ট) প্রফেসর কর্নেল (অব.) মনিরুজ্জামান। বাকি তিন জনের নাম জানা যায়নি।

বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে নথি পর্যালোচনার আদেশ পরে দেবেন বলে জানিয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন তানভীর আহমেদ সজীব। বাদী মামলাটি আমলে দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, ২৫ জুলাই বাদী জ্বর নিয়ে ইবনে সিনা হাসপাতালের ধানমন্ডি শাখায় যান। আউটডোর বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি এনএস-ওয়ান, এজি এবং সিবিসি পরীক্ষা করান। ২৬ জুলাই রিপোর্টে দেখেন রক্তে প্লেটিলেট লেভেল ৭ লাখ ৮৪ হাজার সিএমএম। রিপোর্ট দেখে বাদী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ওই দিনই তিনি বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে একই পরীক্ষা করান। সেখানে রক্তের প্লেটিলেট লেভেল আসে ২ লাখ সিএমএম।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, একজন সুস্থ মানুষের রক্তের প্লেটিলেট লেভেল দেড় লাখ থেকে সাড়ে ৪ চার লাখ থাকে। কিন্তু ইবনে সিনার ডায়াগনস্টিক সেন্টার রক্তের প্লেটিলেট লেভেল আসে ৭ লাখ ৮৪ হাজার সিএমএম। যা কোনো সুস্থ বা অসুস্থ মানুষের ক্ষেত্রেই হতে পারে না। দেশে ডেঙ্গু জ্বরের পরিস্থিতি নাজুক। এ সময় সাধারণ জনগণের অসুস্থতাকে পুঁজি করে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার জন্য বিবাদীরা প্রতারণামূলকভাবে ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে অপরাধ করেছে।