• সোমবার, অক্টোবর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৩ রাত

হাইকোর্ট: ব্যক্তিগত গাড়ি, অটোরিকশা ও ট্যাক্সি রিকুইজিশন করা যাবে না

  • প্রকাশিত ০৩:৫৭ বিকেল জুলাই ৩১, ২০১৯
হাইকোর্ট
ফাইল ছবি। ঢাকা ট্রিবিউন

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে আদালত কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়েছেন

পুলিশের গাড়ি রিকুইজিশনের ব্যাপারে ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। এতে ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ট্যাক্সি রিকুইজিশন করা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার (৩১ জুলাই) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোশতাক হোসেন।

পরে মনজিল মোরসেদ বলেন, এবিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে আদালত কয়েক দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। সেগুলো হলো-

  • যেকোনো গাড়ি রিকুইজিশন অবশ্যই জনস্বার্থে করতে হবে। যদি কেউ না করে সে অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • রিকুইজিশনকৃত গাড়ি কোনো অফিসার তার ব্যক্তিগত বা পরিবারের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না। করলে অসদাচরণের জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • ব্যক্তিগত গাড়ি,সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ট্যাক্সি রিকুইজিশন করা যাবে না।
  • রিকুইজিশনকৃত গাড়ির ব্যাপারে প্রত্যেক পুলিশ স্টেশনে তালিকা সংরক্ষণ করতে হবে।
  • রিকুইজিশনের ব্যাপারে যেকোন অভিযোগ পুলিশ কমিশনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।
  • রিকুইজিশনকৃত গাড়ির কোনো ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, গাড়ির পেট্রোল খরচ বহন করতে হবে এবং চালকদের খাবার খরচ দিতে হবে।
  • ছয় মাসের মধ্যে একই গাড়ি দ্বিতীয়বার রিকুইজিশন করা যাবে না।
  • নারী, শিশু ও রোগী থাকলে সে গাড়ি রিকুইজিশন করা যাবে না।
  • পুলিশ কমিশনার একটি সার্কুলার ইস্যু করে সকল পুলিশ অফিসারদের নিকট প্রেরণ করবে এবং নির্দেশনা মানা নিশ্চিত করতে হবে।


 মনজিল মোরসেদ বলেন,আদালত মামলাটি চলমান রেখেছেন।

উল্লেখ্য, ডিএমপি অধ্যাদেশের ১০৩ (ক) ধারার অধীনে পুলিশ গাড়ি রিকুইজিশনের বিধান নিয়ে ২০১০ সালে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে জনস্বার্থে এ রিট আবেদন করা হয়। এ রিটের প্রেক্ষিতে ওই বছরের ২ মে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি করে হাইকোর্ট এ রায় দেন।