• বুধবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০০ দুপুর

নেত্রকোনা বাদে সব জেলায় ডেঙ্গু

  • প্রকাশিত ০৮:০২ রাত জুলাই ৩১, ২০১৯
ডেঙ্গু পরিস্থিতি
ডেঙ্গু আক্রান্ত এক শিশু। ফাইল ছবি। মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই, বুধবার পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ১৮৩। আর প্রাণঘাতী এ রোগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৪ জন। যদিও বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা তিনগুণের বেশি।

দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬৩টিতেই ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য বলছে, এক নেত্রকোনা ছাড়া বাকি সব জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

সরকারি এই পরিসংখ্যান সেল বলছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই, বুধবার পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ১৮৩। আর প্রাণঘাতী এরোগে এখনপর্যন্ত মারা গেছেন ১৪ জন। যদিও বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা তিনগুণের বেশি। খবর বাংলা ট্রিবিউনের। 

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম আরও বলছে, গতবছর (২০১৮ সাল) ডেঙ্গু আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ১৪৮ জন। এরমধ্যে মৃত্যু হয়েছিল ২৬ জনের। গতবছর এইদিনে (৩১ জুলাই) রোগীর সংখ্যা ছিল ৯৪৬ জন। মৃতের সংখ্যা ছিল ৭।

কন্ট্রোল রুম থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা শহর ছাড়িয়ে দেশজুড়ে এবার ডেঙ্গু ছড়িয়েছে ৬২ জেলায়। এসব জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৬৫৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৫৪৯ জন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ১ হাজার ২২৭ জন। চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৪২৭ জন।

কন্ট্রোল রুম থেকে জানা যায়, ঢাকা শহরের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৫৬৬ জন। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে এই সংখ্যা ৩৬২। বর্তমানে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছেন ৪ হাজার ৯০৩ জন।

সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৬৫২ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে ৯৮জন, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ১৩৫ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২৮১ জন, হলি ফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে ২৪২ জন, বারডেম হাসপাতালে ৪৪জন, বিএসএমএমইউতে ১১২জন, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ১৪৮ জন, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৩১ জন, বিজিবি হাসপাতালে ২৩জন ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ২৯২ জন রোগী ভর্তি আছেন।

আর বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৪৭ জন, ইবনে সিনা হাসপাতালে ৭৭জন, স্কয়ার হাসপাতালে ১০০ জন, শমরিতা হাসপাতালে ২৬জন, ল্যাবএইড হাসপাতালে ২৭জন, সেন্ট্রাল হাসপাতালে ১০১ জন, ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে ১০১ জন, সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০৭ জন, গ্রিন লাইফ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩৬জন, হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ৩১জন, ইউনাইটেড হাসপাতালে ৯০জন, খিদমা হাসপাতালে ২৮জন, অ্যাপোলো হাসপাতালে ৭৪জন, ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৬৬ জন, বিআরবি হাসপাতালে ৩৪ জন, বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ৪৫ জন, উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৮৬জন, সালাউদ্দিন হাসপাতালে ৬২জন, পপুলার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৪৮জন ও আনোয়ার খান মর্ডান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২১জন ভর্তি আছেন।

ঢাকা শহরের বাইরে ঢাকা বিভাগের ১৪ জেলায় ২০৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলায় ১৮১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলায় ১৫৭ জন, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ২৬১ জন, রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় ১৮৩ জন, রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ১২২ জন, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ৬৫ জন এবং সিলেট বিভাগের ৪ জেলায় ৫৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।