• মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫০ রাত

স্বাস্থ্যমন্ত্রী: লন্ডন থেকে নির্দেশনা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত ০৪:৩০ বিকেল আগস্ট ১, ২০১৯
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি/ঢাকা ট্রিবিউন

"আমরা বিশ্বাস করি পরিস্থিতি অল্প দিনের মধ্যে ম্যানেজ হয়ে যাবে"

দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, "আমরা প্রতি সেকেন্ডের ডেঙ্গু পরিস্থিতি মনিটরিং করছি। আমরা মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করছি, মশা মারার জন্য নতুন ওষুধ আনছি। প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে চিকিৎসাধীন থেকেও প্রতিদিন খোঁজ নিচ্ছেন ও নির্দেশনা দিচ্ছেন। আমাদের উদ্যোগের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সমন্বয়ে সব কাজ চলছে। আমরা বিশ্বাস করি পরিস্থিতি অল্প দিনের মধ্যে ম্যানেজ হয়ে যাবে। আপনাদের কাছে সহযোগিতা চাই।"

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক বৈঠকের ফাঁকে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এই কথা বলেন। বৈঠকে ঢাকার দুই মেয়র, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সদস্য ডা. মোস্তফা কামাল মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমও) মহাসচিব ইকবাল আরসালান, সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের সব হাসপাতাল থেকে আনা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ৩১ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৭ হাজার ১৬৩ জন রোগী। চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১২ হাজার ২৬৬ জন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন চার হাজার ৯০৩ জন। ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় (৩১ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ১ আগস্ট ভোর ৬টা পর্যন্ত) ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৪৭৭ জন। নেত্রকোনা ছাড়া ৬৩ জেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে।"

তিনি আরও বলেন, "ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোতে নতুন নতুন ওয়ার্ড খুলছি। যেসব হাসপাতালে রোগী ভর্তি করা হতো না সেখানে ভর্তির ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। প্রত্যেক জেলার সিভিল সার্জনকে ডেঙ্গু চিকিৎসার গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। আমাদের ২৯ জন বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তারা ঘুরে ঘুরে প্রত্যেক জেলায় যাচ্ছেন। ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৬৫ হাজার কিট বিতরণ করা হয়েছে। আরও পাঁচ লাখ কিট আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি সেকেন্ডের ডেঙ্গু পরিস্থিতির মনিটরিং করা হচ্ছে। আপনাদের কাছে সহযোগিতা চাই।"