• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৩ সকাল

যৌতুকের জন্য স্ত্রী হত্যার দায়ে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুদণ্ড

  • প্রকাশিত ০৩:০৪ বিকেল আগস্ট ৫, ২০১৯
আদালত
আদালত প্রাঙ্গনে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল আলীম ও শামীম আল মামুন। ঢাকা ট্রিবিউন

ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে শ্বশুর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করেন তিনি

টাঙ্গাইলে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে পুলিশ কনস্টেবলসহ দুই ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এই রায় দেন। রায়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন- পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল আলীম ওরফে সুমন (৩২) ও তার বন্ধু শামীম আল মামুন (২৯)।

এ ব্যাপারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিশেষ সরকারি কৌসুলী (পিপি) একেএম নাছিমুল আক্তার জানান, আসামি আব্দুল আলীম গাজীপুরের শিল্প পুলিশে কমর্রত অবস্থায় ২০১১ সালের ৬ মে সুমি আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দেয়ার কথা থাকলেও সুমির বাবা তিন লাখ টাকা দিতে সমর্থ হন। বাকি ২ লাখ টাকা পরে দেওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের ওই ২ লাখ টাকার জন্য প্রায়ই স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন আব্দুল আলীম। এক পর্যায়ে স্ত্রীকে বাপের বাড়িও পাঠিয়ে দেন তিনি। পরে একদিন ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রীকে নিয়ে আসেন।  

পরে ঢাকার তুরাগ থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় নিয়ে বন্ধু শামীম আল মামুনের সহায়তায় গলায় ওড়না পেচিঁয়ে নিজের স্ত্রীকে হত্যা করেন আব্দুল আলীম। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।   

মামলার প্রেক্ষিতে আব্দুল আলীমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তিনি।

মামলার পর আব্দুল আলীমকে বরখাস্ত করে পুলিশ। সোমবার রায় ঘোষণার পর দুই আসামিকে টাঙ্গাইল কারাগারে নেয়া হয়।