• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

স্ত্রী পরিচয়ে আবাসিক হোটেলে নিয়ে হত্যা, ইমামের ফাঁসি

  • প্রকাশিত ০৭:১৪ রাত আগস্ট ৮, ২০১৯
ফাঁসি

রাতের যে কোনো সময় শিখাকে হত্যা করে সাকিব পালিয়ে যান।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে আবাসিক হোটেলে মুক্তা শেখ শিখা হত্যার মামলার রায়ে পলাতক আসামি আব্দুল্লাহ সাকিবকে (৩৫) ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) খুলনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এনামুল হক মামলাটি পরিচালনা করেন।

সাকিব বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার সোনাইদীঘি গ্রামের মো. মোখলেসুর রহমানের ছেলে ও স্থানীয় মসজিদের ইমাম।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, সাকিবের সঙ্গে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ভাণ্ডারকোট এলাকার আবদুল খালেক ফকিরের মেয়ে শিখার মোবাইলে যোগাযোগ হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জের ধরে ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সাকিব খুলনার চুকনগরে যান এবং স্থানীয় একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান নেন। পরে শিখাও ওই হোটেলে যান। সেখানে দুজন স্বামী-স্ত্রী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেন। 

পরদিন ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে হোটেলের কক্ষ থেকে শিখার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, রাতের যে কোনো সময় শিখাকে হত্যা করে সাকিব পালিয়ে যান। এঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আজম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে এসআই নিমাই চন্দ্র ২০১৮ সালের ৩০ মার্চ সাকিবকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। 

মামলার বিচার খুলনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চলে। শুনানি চলাকালে আদালত মামলার ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। সবশেষে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেন বিচার মশিউর রহমান চৌধুরী।