• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৪ দুপুর

খুলনায় হাজতে নারীকে গণধর্ষণ: ওসিসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রকাশিত ১২:২১ দুপুর আগস্ট ১০, ২০১৯
ওসি উছমান গণি পাঠান
খুলনার জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানের বিরুদ্ধে এক নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ঢাকা ট্রিবিউন

প্রসঙ্গত, ২ আগস্ট এক গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করে থানা-হাজতে গণধর্ষণ করে পাঁচ পুলিশ সদস্য, এরপর তাকে পাঁচ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতারও দেখানো হয়

খুলনা জিআরপি থানা হাজতে নারী নির্যাতন ও গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের জরা হয়েছে। 

শুক্রবার (৯ আগস্ট) আদালতের নির্দেশে  এ মামলাটি জিআরপি থানায় দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তবোগী নিজেই বাদী হয়ে করা ওই মামলায় ওসিসহ পাঁচ পুলিশকে আসামি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করছেন পাকশি থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ফিরোজ আহমেদ।

তিনি বলেন, “আদালতের নির্দেশে এবং জেল গেট থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তিভোগী নিজেই এ মামলার বাদী। মামলায় জেলআরপি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ঘটনার রাতের ডিউটি অফিসার এবং অজ্ঞাত আরও ৩ পুলিশকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলার তদন্তকারী অফিসার পাকশি এসপি অফিস থেকে নির্ধারণ করা হবে।” 

তিনি বলেন, “নির্যাতন হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইন ২০১৩ এর ১৫ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, ২ আগস্ট যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে খুলনা রেল স্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করে।পরে রাতে জিআরপি থানায় আনা হয়। ওইদিন গভীর রাতে থানা হাজতে ওসি উছমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য তাকে ধর্ষণ করে। 

পরদিন শনিবার তাকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে খুলনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত ফুলতলায় প্রেরণ করা হয়। ৪ আগস্ট আদালতে জামিন শুনানীকালে জিআরপি থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন তিনি। এরপর আদালতের নিদের্শে সোমবার তার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের নির্দেশে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন কুষ্টিয়া রেলওয়েসার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদ এবং সদস্যরা হলেন কুষ্টিয়া রেলওয়ে সার্কেলের ডিআইও-১ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শ.ম. কামাল হোসেইন ও দর্শনা রেলওয়ে ইমিগ্রেশন ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. বাহারুল ইসলাম।