• শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২১ দুপুর

খুঁটি আছে লাইনও আছে তবু তিন বছর ধরে নেই বিদ্যুৎ

  • প্রকাশিত ০২:৪৪ দুপুর আগস্ট ১১, ২০১৯
বিদ্যুৎ খুঁটি
ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দুটি ইউনিয়নের তিন গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার

সঞ্চালন লাইন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে খুঁটি। কিন্তু তিন বছর ধরে দেখা নেই বিদ্যুতের। এতে দীর্ঘ সময় ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুটি ইউনিয়নের তিন গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ক্রংক্ষ্যং পাড়ার ৮৮ টি, ছাংদাক পাড়ার ৬৫ টি, আপ্রুমং পাড়ার ৪৫ টি পরিবার এবং টিমং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিদ্যুৎ সুবিধা বঞ্চিত রয়েছে। এ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে ১৮০ শিক্ষার্থী।

থানচির আপ্রুমং পাড়া নিবাসী সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য চাইসিংউ মারমা বলেন, পাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮০ জন শিক্ষার্থী এই গরমে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করছে। সোলার প্যানেল থাকলেও তা দিয়ে ফ্যান চালানো যায় না। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বান্দরবানের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর (উশৈসিং) এমপি গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎতায়নে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জেলা সদর থেকে থানচি উপজেলা সদর পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে খুঁটি ও সঞ্চালন লাইন স্থাপনের ব্যবস্থা করেন।

ক্রংক্ষ্যং পাড়া নিবাসী সাবেক ইউপি মেম্বার মংখ্যউ মারমা ও মংচ মারমা বলেন, তাদের পাড়ায় বিদ্যুৎতের সঞ্চালন লাইন ও খুঁটি বসানোর জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে ওই সময় ২০-৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, এসব পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধা না পেলেও ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে বলিপাড়া বাজার, বলিপাড়া, দাকছৈই পাড়া, হাইলমারা পাড়া, বাগান পাড়া, কমলা বাগান পাড়া, থানচি সদরের বাজার, থানচি হেডম্যান পাড়া, মরিয়ম পাড়া, সাধু যোসেফ মিশন, হাসপাতাল, বয়ক হেডম্যান পাড়া, টিএন্ডটি পাড়া বিদ্যুৎতের আওতায় আসায় থানচি উপজেলার সাতশ' গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়েছেন।