• শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫২ রাত

ঈদে মেহেদি দিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

  • প্রকাশিত ০৫:২০ সন্ধ্যা আগস্ট ১২, ২০১৯
যৌন হেনস্থা
প্রতীকী ছবি

অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ

ভোলায় ঈদের আগের রাতে মেহেদি দিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী।

রবিবার (১১ আগস্ট) রাতে সদর উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের চর সিফলী গ্রামের এঘটনায় আসামিদের এক সহযোগীকে পুলিশ আটক করেছে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা ইউএনবি।

তবে ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত আল আমিন ও তার সহযোগী মঞ্জুর আলম পলাতক রয়েছে।

ভুক্তভোগীর বাবা জানান, রবিবার রাতে তার মেয়ে প্রতিবেশী আত্মীয় মাহফুজের স্ত্রী লিজার কাছে মেহেদি দিতে যায়। কিন্তু লিজা ঘরে না থাকার সুযোগে তাদের বাসায় ভাড়াটিয়া আল আমিন ওই কিশোরীকে ঘরে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে সহযোগী মঞ্জুর আলমকে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে ওই ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন জানান, ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীকে প্রথমে ভোলা মডেল থানায় নেওয়া হয়। পরে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম জানান, ওই ছাত্রীর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।  

জেলা পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার জানান, খবর পেয়ে রাতেই মূল দুই আসামির সহযোগী জামাল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। মূল দুই আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালছে।