• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

বিয়ের প্রলোভনে ৮ মাস ধরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

  • প্রকাশিত ০৬:০৭ সন্ধ্যা আগস্ট ১৩, ২০১৯
যৌন হেনস্থা
প্রতীকী ছবি

অভিযুক্ত যুবক ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে 

দিনাজপুরের বিরামপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৮ মাস ধরে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মহন্ত হাসদা (২৩) নামে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী এক যুবকের বিরুদ্ধে। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়ের দাবিতে অভিযুক্তের বাড়িতে অবস্থান নিলে পরিবারের লোকজন তাকে বের করে দেয়। 

এ ঘটনায় মেয়েটির মা ওই যুবককে অভিযুক্ত করে রবিবার (১১ আগস্ট) বিরামপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। সোমবার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।

ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর মা জানান, গত কয়েক দিন ধরে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন নজরে এলে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে বিষয়টি সে স্বজনদের কাছে খুলে বলে। দীর্ঘদিন ধরেই ওই যুবক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে আসছিল। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে মেয়ের আল্ট্রাসনোগ্রাম করালে রিপোর্টে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। এ ঘটনায় রবিবার ওই যুবককে অভিযুক্ত করে বিরামপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।

বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) সোহেল রানা মামলার বরাত দিয়ে জানান, উপজেলার মির্জাপুর এলাকার নবম শ্রেণি পড়ুয়া হিন্দু ধর্মাবলম্বী ওই মেয়েটির সঙ্গে একই এলাকার খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযুক্ত যুবক বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘদিন ধরে ওই স্কুল ছাত্রীর সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিল। এক পর্যায়ে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেয়। ছেলের পরিবার বিষয়টি মেনে না নিয়ে অনাগত সন্তান নষ্ট করার কথা বলে মেয়েটিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে তার বাবা মাকে বিষয়টি জানালে তার মা বাদি হয়ে ওই যুবককে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। সোমবার পুলিশ অভিযুক্ত মহন্ত হাসদাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে দিনাজপুর কারাগারে পাঠিয়েছে। 

ইতোমধ্যে ওই যুবক ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলেও জানান তিনি।